1 Answers
কোনো শ্রেণিবাচক পদবিশিষ্ট সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যেকার সম্পর্ককে বিধেয়ক বলে। আর এ বিধেয়কের পাঁচটি রূপের মধ্যে অন্যতম দুটি রূপ হচ্ছে জাতি ও উপজাতি। উদ্দীপকে রোহিতের বাবার বক্তব্যের মাধ্যমে জাতি এবং উপজাতির ধারণা প্রতীয়মান হয়। কারণ মানুষ হলো এটি জাতি অন্যদিকে চাকমা, গারো এইগুলো হলো উপজাতি। রোহিতের বাবার বক্তব্যর আলোকে জাতি ও উপজাতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করা হলো- জাতি ও উপজাতি সর্বদা শ্রেণিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। তাই এরা কোনো একক বা বিশিষ্ট পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। কেবল শ্রেণিবাচক পদই জাতি বা উপজাতি হতে পারে। একটি পদকে জাতি হতে হলে তার উপজাতি থাকতে হবে। কারণ উপজাতি ছাড়া জাতি হতে পারে না। আবার একটি পদকে উপজাতি হতে হলে তাকে কোনো না কোনো জাতির অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। এদিক থেকে জাতি ও উপজাতি হচ্ছে সাপেক্ষ পদ। এজন্য একই পদ সম্পর্কভেদে জাতি ও উপজাতি উভয়ই হতে পারে। ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে 'উপজাতি' হচ্ছে জাতির অন্তর্ভুক্ত এবং জাত্যর্থের দিক থেকে 'জাতি' হচ্ছে উপজাতির অন্তর্ভুক্ত। যেমন- মানুষের চেয়ে জীবের পরিমাণ বেশি বলে মানুষ জীবের অন্তর্ভুক্ত।