1 Answers
উদ্দীপকে মমিনের প্রথম দৃষ্টান্তের মাধ্যমে 'A' যুক্তিবাক্য এবং পরবর্তী দৃষ্টান্তের মাধ্যমে 'E' যুক্তিবাক্যের প্রকৃতি প্রতীয়মান হয়। A-যুক্তিবাক্যকে বলা হয় সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুযায়ী A-যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য, কিন্তু বিধেয় পদ ব্যাপ্য নয়, অব্যাপ্য। কারণ A-যুক্তিবাক্যটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। এর উদ্দেশ্য পদটি পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়। এজন্য উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য, কিন্তু বিধেয় পদটি পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয় না, আংশিক ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়। এজন্য বিধেয় পদটি অব্যাপ্য। যেমন- সকল কাক হয় কালো। এই যুক্তিবাক্যে 'কাক' পদ দিয়ে তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ করে, এজন্য 'কাক' পদটি ব্যাপ্য। অন্যদিকে 'কালো' পদটি আংশিক ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ করে। এজন্য 'কালো' পদটি অব্যাপ্য। কাক ছাড়াও আরও অনেক পাখি কালো রয়েছে। অন্যদিকে E- যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য। E-যুক্তিবাক্যটি সার্বিক যুক্তিবাক্য বলে উদ্দেশ্য পদটি পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। এজন্য এর উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য। আবার E-যুক্তিবাক্যটি একটি নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে বিধেয় পদটিও পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। এজন্য বিধেয় পদটিও ব্যাপ্য। যেমন- 'কোনো মানুষ নয় অমর।' এখানে 'মানুষ' পদটি সামগ্রিক অর্থে গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য 'মানুষ' পদটি ব্যাপ্য। আবার 'অমর' পদটিকেও সামগ্রিক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। 'অমর' পদের সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থকেই মানুষ জাতির ক্ষেত্রে অস্বীকার করা হয়েছে। 'মানুষ' ও 'অমর' জীবের মধ্যে আসলে কোনো সম্পর্ক নেই। কাজেই এ যুক্তিবাক্যে 'অমর' পদটি অব্যাপ্য।