1 Answers

সাংগঠনিক কাঠামোর ধরন পরিবর্তনই উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের উন্নতির মূল কারণ- বক্তব্যটি যথার্থ।

সংগঠন কাঠামো বলতে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ককে বোঝায়। লক্ষ্য অর্জনে নিয়োজিত জনশক্তিকে তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তাদের কার্যাবলির প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন বিভাগ, উপ-বিভাগ বা ইউনিট সৃষ্টি করা হয়। উদ্দীপকে জনাব বেলাল কার্য ভারাক্রান্ত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি ঠিকমতো পরিচালনা করতে পারছেন না। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ও গুণগত মান দিন দিন কমতে থাকায় পরিচালনা পর্ষদ শীর্ষ নির্বাহীকে উপদেশ দানের জন্য একজন পরামর্শক নিয়োগ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের অবস্থা আবার উন্নত হতে থাকে। অর্থাৎ উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠানের ধরন পরিবর্তন করে সরলরৈখিক সংগঠন থেকে সরলরৈখিক ও পদস্থকর্মী সংগঠন কাঠামোতে রূপান্তর করা হয়। যে সংগঠনে সরলরৈখিক কর্মীর পাশাপাশি উপদেষ্টা কর্মী নিয়োগ করা হয়, তাকে সরলরৈখিক ও পদস্থকর্মী সংগঠন বলে। তুলনামূলক বড় আকারের প্রতিষ্ঠানে এমন পদস্থকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ধরনের সংগঠনে সরলরেখায় অবস্থানকারী নির্বাহী সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন এবং পদস্থ বিশেষজ্ঞ কর্মী কোনো ক্ষমতা বা কর্তৃত্বে থাকেন। সুতরাং উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠানের সরলরৈখিক ও পদস্থকর্মী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করাই উন্নতির মূল কারণ।

পরিশেষে বলা যায়, বর্তমানকালে প্রাতিষ্ঠানিক কাজের ক্ষেত্র অনুযায়ী উপরিউক্ত সংগঠন কাঠামোসমূহ প্রণয়ন করা হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি, আয়তন, কাজের ধরন, কর্মীদের সংখ্যা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে উপযুক্ত কাঠামো নির্বাচন করা হয়।

5 views

Related Questions