1 Answers
উদ্দীপকে দায়িত্ব ও কর্তৃত্বের নীতির ব্যত্যয়ের কারণে নিয়োগপ্রাপ্তরা দায়িত্ব পালনে সমস্যায় পড়েছেন।
সংগঠন প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রত্যেক কর্মীর দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব নির্দিষ্ট থাকা আবশ্যক। প্রত্যেক নির্বাহী ও কর্মী যেন জানতে পারে যে, তার দায়িত্ব কী ও কর্তৃত্বের সীমা কতদূর। তবে দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব যে পর্যায়ই থাকুক না কেন তা সুনির্দিষ্ট হতে হবে।
উদ্দীপকে জনাব মুনতাসীর প্রত্যেকটা কাজের জন্য দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব সবার মাঝে নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। তার চিন্তা হলো লোকদের অধিক কর্তৃত্ব দিলে তারা স্বেচ্ছাচারী হবে। তাই তাদের দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব কমিয়ে দিয়ে জনাবদিহিতার মাত্রা বাড়িয়ে দিলেন। ফলে নিয়োগপ্রাপ্তরা কাজ করতে যেয়ে সমস্যায় পড়েন। এক্ষেত্রে কর্মীদেরকে তার দক্ষতার সাথে মিল রেখে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। আর দায়িত্ব পালনার্থে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দিতে হবে। কারণ দায়িত্ব ও কর্তৃত্বে সামঞ্জস্যতা থাকলে কার্যফল অর্জন সহজ হয়। এক্ষেত্রে জনাব মুনতাসীর তার অধস্তনদের কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব সঠিকভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন কিন্তু তারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করে তাহলে নিয়োগপ্রাপ্তরা সমস্যায় পড়বে। কারণ কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা যদি অনেক বেশি থাকে কিন্তু সেই পরিমাণে কারও নিকট তাকে জবাবদিহি করতে না হয় তাহলে ব্যক্তি স্বেচ্ছাচারী হতে বাধ্য।
পরিশেষে বলা যায়, সংগঠন হলো একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার মূল সঞ্চালন। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানের সংগঠন সুষ্ঠুরূপে প্রণয়নের জন্য উক্ত নীতিমালা বা আদর্শ মেনে চলা উচিত। এতে সংগঠনের মান কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় উন্নতি সাধিত হবে।