1 Answers

উদ্দীপকে মি, নয়ন বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ ও উদ্দেশ্যের নীতি অনুসরণ করেন।

প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের দিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে, সে উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক কার্যপ্রক্রিয়াকে উদ্যোগ ও উদ্দেশ্যের নীতি বলা হয়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. নয়ন তার প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় বিভাগে একটি 'পদ শূন্য হলে তার এক স্বল্প শিক্ষিত আত্মীয় ওসমানকে সেই পদে নিয়োগ দেন। ফলে এ বছর আগের চেয়ে ২০% বিক্রয় হ্রাস পায়। এক্ষেত্রে মি. নয়নের প্রতিষ্ঠানে উদ্যোগ ও সঠিক উদ্দেশ্যের নীতির অভাব ছিল, ফলে বিক্রয় হ্রাস পায়। এরূপ নীতির মূল কথা হলো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মিগণকে তাদের আওতাধীন কাজ নিয়ে এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা-চেতনা বিকাশের পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর যেকোনো প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্য কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য সম্পাদিত হয়। উক্ত উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে প্রথমে প্রয়োজনীয় কার্যাবলি ঠিক করে নেওয়া হয়। কেননা কর্মিগণ প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবহিত থাকলে তা অর্জন করা সহজ হয়। এক্ষেত্রে মি. নয়নকে বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য উদ্দেশ্য ও সঠিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং শিক্ষিত ও দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী নিয়োগ দিয়ে উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়, সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যসম্পাদন করে উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে এরূপ নীতিসমূহ বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রয়োগ করতে পারলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।

4 views

Related Questions