1 Answers

ইমন বুঝতে পারে, 'অবরোহ অনুমানের' মাধ্যমে সার্বিক জ্ঞান থেকে বিশেষ জ্ঞান পাওয়া যায়। বিষয়টি অবশ্যই যথার্থ। কারণ, এ অনুমানের সিদ্ধান্তটি আশ্রয়বাক্য হতে কোনো কোনো সময় সমব্যাপক হতে পারে, কিন্তু অধিক ব্যাপক হতে পারে না। যেমন-

সর্ব দার্শনিক হয় জ্ঞানী- আশ্রয়বাক্য
রাসেল একজন দার্শনিক- আশ্রয়বাক্য
রাসেল হন জ্ঞানী।

এখানে, সর্ব দার্শনিক হয় জ্ঞানী- এ সার্বিক সত্য হতে 'রাসেল হয় জ্ঞানী'- এ বিশেষ সত্য জানতে হয়েছে। তাই এটি একটি অবরোহ অনুমান। অবরোহ অনুমানকে আবার দু'ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অমাধ্যম অনুমান : যে অবরোহ অনুমানে সিদ্ধান্তটি একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থেকে টানা হয় তাকে 'অমাধ্যম অনুমান' বলে। অমাধ্যম অনুমানে মোট দুটি যুক্তিবাক্য থাকে। এদের একটি হলো আশ্রয়বাক্য এবং অপরটি হলো সিদ্ধান্ত। অর্থাৎ এরূপ অনুমানেও সিদ্ধান্তকে সরাসরি সার্বিক আশ্রয়বাক্য থেকেই টানা হয়। যেমন- সকল মানুষ হয় মরণশীল।

কোনো মানুষ নয় অ-মরণশীল।

এ অনুমানটিতে সার্বিক আশ্রয়বাক্য 'সকল মানুষ হয় মরণশীল'- এর ওপর নির্ভর করে সরাসরি 'কোনো মানুষ নয় অ-মরণশীল' সিদ্ধান্তটি স্থাপন করা হয়েছে।

২. মাধ্যম অনুমান: যে অবরোহ অনুমানে একের অধিক আশ্রয়বাক্য হতে সিদ্ধান্ত গঠন করা হয় তাকে 'মাধ্যম অনুমান' বলে।

উদাহরণ: 

সব মানুষ হয় জীব  - আশ্রয়বাক্য

করিম হয় একজন মানুষ - আশ্রয়বাক্য

করিম হয় জীব - সিদ্ধান্ত

এ যুক্তিটিতেও সার্বিক আশ্রয়বাক্য হতে বিশেষ সিদ্ধান্ত গঠন করা হয়েছে বলে এটি একটি মাধ্যম অনুমানের দৃষ্টান্ত।

7 views

Related Questions