1 Answers

শাকিলের লিখিত যুক্তিটি দ্বিকল্প সহানুমানের একটি অন্যতম প্রকারভেদ মিশ্র সহানুমানের দৃষ্টান্ত। কারণ মিশ্র সহানুমানের প্রধান আশ্রয়বাক্যটি প্রাকল্পিক কিংবা বৈকল্পিক। যার সিদ্ধান্ত এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্য সাধারণত নিরপেক্ষ থাকে। এদিক থেকে বলা যায় যে, সহানুমানে প্রধান আশ্রয়বাক্যটি একটি যৌগিক প্রাকল্পিক যুক্তিবাক্য, অপ্রধান আশ্রয়বাক্যটি একটি বৈকল্পিক যুক্তিবাক্য এবং সিদ্ধান্তটি নিরপেক্ষ, না হয় একটি বৈকল্পিক যুক্তিবাক্য, তাকে দ্বিকল্প ন্যায় অনুমান বলে। যেমন-

যদি তুমি নিজের মতে চলো, তাহলে লোকে তোমাকে সমালোচনা করবে এবং যদি তুমি অন্যের মতে চলো তাহলে লোকে তোমায় সমালোচনা করবে।

হয় তুমি নিজের মতে চল, না হয় তুমি অন্যের মতে চল।
লোকে তোমায় সমালোচনা করবে।

দ্বিকল্প সহানুমানের বিশ্লেষণ করলে যে বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। তা হলো দ্বিকল্প সহানুমানের প্রধান আশ্রয়বাক্যটি হচ্ছে একটি যৌগিক প্রাকল্পিক বাক্য। এতে দুটি পূর্বগ ও দুটি অনুগ থাকে। এই সহানুমানের অপ্রধান আশ্রয়বাক্যটি হচ্ছে একটি বৈকল্পিক বাক্য। এতে হয় পূর্বগ দুটিকে স্বীকার করে, না হয় অনুগ দুটিকে অস্বীকার করে। দ্বিকল্প সহানুমানের সিদ্ধান্তটি হয় কখনো বৈকল্পিক যুক্তিবাক্য আবার কখনো নিরপেক্ষ যুক্তিবাক্য। এর সিদ্ধান্তে হয় প্রধান আশ্রয়বাক্যের অনুগ দুটিকে স্বীকার  করা হয়, না হয় পূর্বগ দুটিকে অস্বীকার করা হয়। যেমন- যদি তুমি ঢাকায় যাও, তাহলে তুমি তাজমহল দেখতে পারবে না এবং যদি তুমি আগ্রায় যাও তাহলে নভোথিয়েটার দেখতে পারবে না।

হয় তুমি ঢাকায় যাও অথবা তুমি আগ্রায় যাও।

হয় তুমি তাজমহল দেখতে পারবে না অথবা তুমি নভোথিয়েটার দেখতে পারবে না। প্রতীকী উদাহরণ:  ( p~q).(r~s) p v r ~q v~s

সুতরাং দ্বিকল্প সহানুমানকে 'মিশ্র' সহানুমান' বলা যথার্থ।

4 views

Related Questions