1 Answers

হ্যাঁ, আমি উদ্দীপকের ফরহাদের বক্তব্যের সাথে একমত যে, জাত্যর্থক পদ এবং অজাত্যর্থক পদের পার্থক্যের মূল বিষয় হলো 'নির্ভরশীলতা'। পদ বাক্যের বা বচনের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পদের প্রকারভেদ আলোচনায় অনেক প্রকারভেদের মধ্যে নিরপেক্ষ পদ এবং সাপেক্ষ পদ অন্যতম।

যে পদ তার অর্থের জন্য অন্য পদের ওপর নির্ভরশীল নয়, তাকে নিরপেক্ষ পদ বলে। যেমন- গাছ, পানি, ফুল, বিদ্যালয় ইত্যাদি। অন্যদিকে, যে পদ তার অর্থের জন্য অন্য পদের ওপর নির্ভরশীল থাকে তাকে সাপেক্ষ পদ বলে। যেমন- 'শিক্ষক', 'স্ত্রী'-এগুলো 'সাপেক্ষ পদ', 'শিক্ষক' পদের অর্থের জন্য 'ছাত্র' পদের ওপর নির্ভর করতে হয়, অর্থাৎ, নিরপেক্ষ ও সাপেক্ষ পদের ব্যাখ্যা থেকে আমরা বলতে পারি যে, যে সকল বস্তু বা গুণের নাম বোধগম্য হওয়ার জন্য অন্য কোনো নামের ওপর নির্ভরশীল নয়, তাকে নিরপেক্ষ পদ বলে এবং যে সকল বস্তু বা গুণের নাম অন্য বস্তু বা গুণের সাথে সংযুক্ত হয়ে স্পষ্টভাবে বোধগম্য হয়, তাকে 'সাপেক্ষ পদ' বলে। যে পদ অন্য পদের সাহায্য ছাড়াই বোধগম্য হতে পারে, তাকে নিরপেক্ষ বলে। যেমন- 'বাড়ি', 'ঘর', 'বই', 'কলম' ইত্যাদি। নিরপেক্ষ পদের নিজস্ব অর্থ থাকে। নিরপেক্ষ পদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো পদের ওপর নির্ভর করতে হয় না। নিরপেক্ষ পদের অর্থ সহজভাবে বোধগম্য হয়।"

যে পদ অন্য পদের সাহায্য ছাড়া বোধগম্য হতে পারে না, তাকে সাপেক্ষ পদ বলে। যেমন- পিতা, স্বামী, স্ত্রী, শিক্ষক ইত্যাদি। সাপেক্ষ পদের নিজস্ব কোনো অর্থ থাকে না। সাপেক্ষ পদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য পদের ওপর নির্ভর করতে হয়। সাপেক্ষ পদ স্বয়ংসম্পূর্ণ কোনো পদ নয়।

4 views

Related Questions