1 Answers

হ্যাঁ, আমানের ২য় উক্তিটির সাথে আমি একমত। গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল যুক্তিবিদ্যার আদি পিতা বা জনক। তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন বিচারমূলক চিন্তাপদ্ধতি নিয়ে একটি বিশিষ্ট বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু গড়ে উঠতে পারে। তাঁর পূর্বসূরি সক্রেটিস, প্লেটো-এর উপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেননি। দার্শনিক এরিস্টটল যুক্তিবিদ্যার প্রথম আচার্য বা শিক্ষক। এজন্য এরিস্টটল প্রদত্ত যুক্তিবিদ্যাকে বলা হয় এরিস্টটলীয় যুক্তিবিদ্যা বা সনাতনী যুক্তিবিদ্যা বা সাবেকি যুক্তিবিদ্যা। এ যুক্তিবিদ্যার আরেক নাম অবরোহ যুক্তিবিদ্যা। জানা থেকে অজানায়, জ্ঞাত থেকে অজ্ঞাতে যাওয়ার প্রক্রিয়া ছিল অবরোহ ভিত্তিক। যুক্তিচিন্তনের এরিস্টটলীয় যুগে বলা হতো জানা থেকে অজানার দিকে এগিয়ে যাওয়াই ছিল জ্ঞানের অগ্রগতি এবং বিশুদ্ধ জ্ঞানের ভিত্তি। এরিস্টটলীয় যুক্তিবিদ্যার উপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে গড়ে উঠেছে আধুনিক ও প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা এবং আরোহ যুক্তিবিদ্যা। জ্ঞান বিকাশের চিন্তাধারা বাস্তব ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক হওয়ায় আরোহমূলক দৃষ্টিভঙ্গি মানুষের মধ্যে জাগ্রত হয়। তবে যুক্তিবিদ্যার মৌলিক দিক বিচার ও বিশ্লেষণ করলে স্বতঃসিদ্ধ ও প্রামাণিক সত্য হিসাবে আমরা এরিস্টটলীয় যুক্তিবিদ্যাকেই যুক্তিচিন্তনের ক্ষেত্রে প্রাথমিক স্তর বা সোপান হিসাবে স্বীকার করে নিই। এ স্বীকার্যমূলক যুক্তিচিন্তন প্রক্রিয়া উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের মধ্য দিয়ে জেভন্স, অলড্রিচ, হোয়েটলি, টমসন, ওয়েলটন, হ্যামিলটন, জে এস. মিল, যোসেফ এবং আই এম কপি'র মাধ্যমে পরিপূর্ণতা লাভ করে।

5 views

Related Questions