1 Answers

হ্যাঁ, আমি বক্তব্যের সাথে একমত। উদ্দীপকের মিরনের এবং হাসানের তর্কের মাধ্যমে কপির যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। কপি প্রদত্ত যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞা থেকে দেখা যায় যে, তিনি যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক দিকের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। যুক্তিবিদ্যার মূল উদ্দেশ্য হলো বৈধ ন্যায় বাঁ যুক্তি থেকে অবৈধ ন্যায় বা যুক্তির মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করা। যুক্তিবিদ্যার সার্থক অনুশীলন করে যুক্তির বৈধতার রীতিনীতি সম্পর্কে জানতে পারি। আশ্রয় বাক্যের উপর ভিত্তি করে আমরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি যুক্তিবিদ্যা তার মূল্যায়ন করে। এজন্য কপি বলেন, "যুক্তিবিদ্যা হলো ফলিত কলা।” ফলিত কলা যেমন মানুষের মনকে আকর্ষণ করে, বুদ্ধিবৃত্তিকে নাড়া দেয় ও তাড়িত করে, তেমনি যুক্তিবিদ্যার আদর্শ ও যুক্তি কৌশলের নান্দনিক দিক ও নিপুণতা মানুষের মনকে স্পর্শ করে এবং ছুঁয়ে যায়। আধুনিক যুক্তিবিদ টমসন যুক্তিবিদ্যাকে 'চিন্তনের বিজ্ঞান' বলে অভিহিত করলে কপি তাঁর সংজ্ঞার ঘোর বিরোধিতা করেন। কপির মতে, 'চিন্তন' হলো মনোবিজ্ঞানের বিষয়। চিন্তনের সকল প্রকার পদ্ধতির চর্চা করা একমাত্র মনোবিজ্ঞানের কাজ। কাজেই যুক্তিবিদ্যাকে চিন্তনের বিজ্ঞান বলে অভিহিত করলে স্মৃতি, কল্পনা, অনুভূতি সবক্ষেত্রেই চিন্তা শব্দটি প্রযোজ্য হয়ে পড়ে। কিন্তু যুক্তিবিদ্যা চিন্তার এসব আকার নিয়ে আলোচনা করে না। কপির মতে, যুক্তিবিদ্যা হলো এমন বিষয় যা কেবল সবিচার যুক্তিপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে।

4 views

Related Questions