1 Answers
মতিউর রহমানকে কৃষি কর্মকর্তা সয়াবিন চাষে ইনোকুলাম সার প্রয়োগ করার পরামর্শ দেন এবং পরিচর্যা পদ্ধতি ভালোভাবে বুঝিয়ে দেন।
এ পদ্ধতিতে প্রথমে একটি পাত্রে ১ কেজি পরিমাণ বীজ নিতে হবে। এরপর পরিষ্কার পানিতে হাত ভিজিয়ে এ ভেজা হাতে বীজগুলি এমনভাবে নাড়াচাড়া করতে হবে যেন বীজ ভিজে যায় (বেশি করে পানি মেশানো যাবে না)। এরপর ৬৫-৭৫ গ্রাম রাইজোবিয়াম মিশানো পাউডার (ইনোকুলাম) প্রতি কেজি ভেজা বীজে মাখাতে হবে, যাতে পাউডার সমস্ত ভেজা বীজে লেগে যায়। সূর্যের প্রখর তাপ হতে জীবাণুকে রক্ষার জন্য বীজ শেষ বিকালে বুনে তা তাড়াতাড়ি মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
সয়াবিন চাষের পরিচর্যা হিসেবে চারা একটু বড় হওয়ার পর আগাছা নিড়িয়ে এবং মাটি আঁচড়িয়ে দিতে হবে। মাটির আর্দ্রতামান পর্যবেক্ষণ পূর্বক প্রয়োজনে সেচ দিতে হবে। আমাদের দেশে যে সব স্থানে সয়াবিনের চাষ হয় সে সব স্থানে বীজ বপনের ২৫/৩০ দিন ও ৫৫/৬০ দিন পর দুইবার সেচ দেওয়া হয়। জাল টেনে ও আলোর ফাদ ব্যবহার করে পোকা মাকড় দমন করতে হবে। নির্দিষ্ট কীটনাশক সঠিক নিয়মে প্রয়োগ করতে হবে। মোজাইক ভাইরাস আক্রান্ত গাছ দেখামাত্র উক্ত গাছকে উঠিয়ে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
উপরে বর্ণিত উপায়ে ইনোকুলাম প্রয়োগের পরামর্শ ও পরিচর্যা পদ্ধতি কৃষিকর্মকর্তা মতিউর সাহেবকে দেন। এটি ব্যবহারের ফলে মতিউরের উৎপাদন খরচ কমে গিয়ে তিনি লাভবান হন।