1 Answers

উদ্দীপকের কবিরের এলাকায় জলোচ্ছ্বাস পরবর্তী সময়ে বন্যা দেখা দিল। এ অবস্থায় কৃষি কর্মকর্তা বন্যাকালীন ও বন্যাপরবর্তী সময়ে করণীয় বিষয়গুলো বলেন।

এলাকাবাসী তাদের এই বন্যাপ্রবণ এলাকায় বন্যানিয়ন্ত্রণের জন্য নদী বা খালের দুই তীরে বাঁধ দিতে পারে। নদী বা খালে মুইসগেট নির্মাণ করে পানি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে যাতে ফসলের ক্ষেতে অতিরিক্ত পানি প্রবেশ না করে। তারা ব্রি ধান ২৮, ব্রি ধান ৩৬ রোপন করতে পারে। এ জাতগুলো ১৪০-১৫০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ বন্যার আগে পাকে। এতে বন্যার সময় ফসল রক্ষা করা যায়। এছাড়া বাজাইল, ফুলকুড়ি, হরিণশাইল ইত্যাদি স্থানীয় জাতের গভীর পানির আমন চাষিরা মার্চ-এপ্রিল মাসে বৃষ্টির পর ছিটিয়ে বুনে দিতে পারে। ফলে বন্যার সময় পানির উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে গাছের উচ্চতাও বাড়ে। বন্যার পানি নেমে গেলে নাবী জাতের আমন ধান যেমন- বি আর ২২ ও বি আর ২৩ চাষ করে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায়। তারা বন্যা সহনশীল বিভিন্ন ফসলের জাত চাষ করতে পারে।

বন্যার সময় চাষিরা জমিতে বীজতলা তৈরি করতে পারে না। তাই তারা বাড়ির উঠোনে, কোনো উঁচু স্থানে বা ভাসমান বীজতলা তৈরি করে চারা তৈরি করতে পারে। বন্যা-পরবর্তী সময়ে তারা পানি নামার সাথে সাথে চারা রোপণ করতে পারে। এছাড়া শাকসবজিও চাষ করতে পারে।

অতএব বলা যায়, উপরে উল্লিখিতভাবে কবিরের এলাকাবাসীর বন্যা মোকাবেলায় কৃষি কর্মকর্তার দেওয়া পরামর্শটি যথার্থ।

4 views

Related Questions