1 Answers
১ম কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্যের বিষয়টি ছিল ভূমি সংরক্ষণে মাটির উর্বরাশক্তি পুনরায় প্রতিস্থাপন করা।
নিম্নোক্ত উপায়ে ক্ষীরোদ বাবু তার সমস্যার সমাধান করবেন-
i. তিনি বৃক্ষরোপণ করবেন। উদ্ভিদের ডালপালা বৃষ্টির পানি, বায়ুপ্রবাহ এবং খরাকে বাধা দেয়। ফলে মাটির ক্ষয় বাধাপ্রাপ্ত হয়।
ii. জমির চারপাশে উঁচু আইল বাঁধলে বৃষ্টির ও সেচের পানির সাথে মাটিকণা মিশে জমির বাইরে যেতে পারে না। ফলে ভূমিক্ষয় হ্রাস পায়।
iii. তিনি উপযুক্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অনুসরণ করে ভূমিক্ষয় রোধ করবেন।
iv. শস্য পর্যায় একটি উন্নত কৃষি প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তিতে মাটির উর্বরতা বজায় রেখে একখণ্ড জমিতে শস্য ঋতুর বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করা যায়। তিনি এ পদ্ধতি অবলম্বন করার ফলে মাটির গুণাগুণ ভালো থাকে।
V. ফসল ঢালের আঢ় বরাবর রোপণ করলে ভূমি সংরক্ষণ করা সম্ভব। এছাড়াও যে সকল ফসল জমিকে উন্মুক্ত করে রাখে তাদের পাশাপাশি সাথি ফসল হিসেবে জমিকে আবৃত রাখে এমন ফসল চাষ করে ভূমি সংরক্ষণ করা যায়।
vi. মালচিং হলো এক ধরনের কৃষি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ করা হয়। ভূমিকে মালচিং দেওয়ার জন্য ক্ষীরোদ বাবু মাটিকে পলিথিন, কচুরিপানা এবং খড়কুটা দিয়ে ঢেকে রাখেন।
vii. মাটিতে ফসলের অবশিষ্টাংশ সংযোজিত করে মাটির ভৌত, রাসায়নিক এবং জৈবিক গুণাবলির উন্নয়ন ঘটান। ফলে ভূমিক্ষয় হ্রাস পায়।
viii. পাহাড়ি অঞ্চলে সমঢাল রেখা বরাবর উভয়দিকে বাঁধ নির্মাণ করে মধ্যবর্তী জমির পানি ধরে রাখা হয়। ফলে পানিবাহিত ভূমিক্ষয় হ্রাস পেয়ে ভূমি সংরক্ষিত হয়।