1 Answers
জাউদ্দীপকে ইমতিয়াজ মিয়া মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী লবণজাতকরণের মাধ্যমে মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের সিদ্ধান্ত নিলেন। মাছ সংরক্ষণের লবণায়ন পদ্ধতি দুই প্রকার। যথা- শুষ্ক লবণায়ন ও আর্দ্র বা ভেজা লবণায়ন। শুষ্ক লবণায়ন পদ্ধতিতে মাছকে শুষ্ক অবস্থায় লবণজাত করে রাখা হয়। আর্দ্র লবণায়ন পদ্ধতিতে মাছকে আর্দ্র বা ভেজা অবস্থায় লবণজাত করা হয়। শুষ্ক ও আর্দ্র উভয় পদ্ধতিতেই মাছের আঁইশ, পাখনা, নাড়িভুঁড়ি ফেলে দিয়ে আড়াআড়িভাবে কয়েকটি টুকরায় ভাগ করে নেওয়া হয় যেন মাছের দেহের অভ্যন্তরে অধিক পরিমাণ অংশ উন্মুক্ত থাকে। উভয় পদ্ধতিতেই মাছের দেহের স্তরে স্তরে লবণ দেওয়া হয়। শুষ্ক লবণায়নের ক্ষেত্রে মাছের চোখ এবং ফুলকার মধ্যে লবণ টুকিয়ে দিতে হয় যা আর্দ্র লবণায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না। শুষ্ক লবণায়ন পদ্ধতিতে লবণ মাখানো মাছকে বাঁশের ঝুড়ি বা কাঠের পাটাতনে স্তরে স্তরে লবণ দিয়ে সাজানো হয় কিন্তু আর্দ্র লবণায়ন পদ্ধতিতে লবণ দেওয়া মাছ টিন বা কাঠের বাক্সে রাখা হয় এবং পরিমাণমতো লবণ গোলা পানি মিশানো হয়। শুষ্ক লবণায়ন পদ্ধতিতে রাখা মাছকে মাদুর/চাটাই দিয়ে ঢেকে ভারি বস্তু দিয়ে চাপা দিয়ে ১৫-২০ দিন রাখা হয় আর আর্দ্র লবণায়ন পদ্ধতিতে মাছ রাখার পাত্রটিকে বায়ুরোধী করে ১২-১৫ দিন রাখা হয়।
তাই বলা যায়, উপরিউক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করে ইমতিয়াজ মিয়া মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শটি বাস্তবায়ন করবেন।