1 Answers

উদ্দীপকের পরবর্তীতে গড়ে তোলা ব্যবসায়টি হলো সামাজিক ব্যবসায় যা প্রচলিত ব্যবসায় ধারণা থেকে ভিন্নতর।

কোনো আর্থিক স্বার্থের বিষয়টিকে প্রাধান্য না দিয়ে বরং সামাজিক কল্যাণ অর্জনের বিষয়কে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনায় এনে ব্যবসায় পরিচালনা করাকেই সামাজিক ব্যবসায় বলে। এ ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য হলো ব্যবসায় পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের প্রভূত কল্যাণ সাধন করা। সামাজিক ব্যবসায়ে বিনিয়োগকারিগণ অথবা উদ্যোক্তাগণ পর্যায়ক্রমে বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পেলেও এক্ষেত্রে কোনো লভ্যাংশ গ্রহণ করে না।

উদ্দীপকে মি. মাসুদ চৌধুরী হোটেল ব্যবসায় থেকে পরবর্তীতে তার দুই বড়লোক বন্ধুকে সাথে নিয়ে বান্দরবান ও রাঙামাটির প্রত্যন্ত এলাকায় ৪টি স্কুল ও ভকেশনাল ইনস্টিটিউট করেছেন। এখানে স্কুল থেকে পাস করা ছেলেদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ৭ বছরের মধ্যে তারা তাদের প্রদত্ত অর্থ ফেরত পাবেন এ আশা করছেন। এরপর প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাবলম্বী হয়ে নিজেরাই এগিয়ে যাবে। অর্থাৎ উদ্দীপকে সামাজিক ব্যবসায় গড়ে তুলেছেন। এ ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্যে সমাজের মানুষের কল্যাণসাধন করা। এর ফলে এলাকার ছেলেদের শিক্ষিত করা এবং তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমাজের সেবামূলক কাজে উৎসাহ প্রদান করা। ফলশ্রুতিতে এলাকার দারিদ্র্য সমস্যা দূর হবে এবং এলাকার উন্নয়ন সম্ভবপর হবে।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পরবর্তীতে গড়ে তোলা ব্যবসায় প্রচলিত ব্যবসায় ধারণা থেকে ভিন্নতর।

6 views

Related Questions