1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত নাকিবের খামারটি হল একটি দুগ্ধজাত খামার। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দুগ্ধজাত খামারের গুরুত্ব অনেক। দুধ একটি আদর্শ প্রোটিন জাতীয় খাদ্য যা শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দুগ্ধবতী গাভি পালনের মাধ্যমে পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দুধ বিক্রি করে বাড়তি আয় করা যায়। জয়নাল তার খামারে উন্নত মানের দুগ্ধজাত গাভি পালন করে যা দৈনিক ১৬-১৭ লিটার দুধ দেয়। এদের দুধে চর্বির পরিমাণ দেশীয় জাতের গাভির তুলনায় বেশি। এইসব খামার থেকে উৎপাদিত দুধ দ্বারা মিষ্টি মিঠাইসহ নানাবিধ বেকারি সামগ্রী তৈরি করা হয়। শিশুদের জন্য দুধ একটি অত্যন্ত উপযোগী খাদ্য যা সকল উপাদানের চাহিদা মেটায়। গাভির গোবর দ্বারা বায়োগ্যাস ও ঘুটে তৈরি করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তরল গোবর মাছের উৎকৃষ্ট খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে মাংসের দাম অনেক, তাই এই গাভি থেকে উৎপাদিত বাছুর বাজারে চওড়া মূল্যে বিক্রি করা যায়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছোট ছোট এই ধরনের খামারগুলো বেকার যুবকদের কাছে কর্মসংস্থানের জন্য খুবই আকর্ষণীয় পেশা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ ধরনের খামার স্থাপনের ফলে দেশে দুধের চাহিদাও অনেকটা পূরণ হচ্ছে এবং অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে।
উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দুগ্ধ খামারের গুরুত্ব অনেক।