1 Answers

খলিল ও আলম তাদের খামারের গরুর রোগ প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে থাকেন। খামারে গরুর নানা রকম রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এসব রোগ প্রতিরোধে নিম্নের ব্যবস্থাপনাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ- পৃথকীকরণ : খামারে বা কোনো বাড়িতে রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রোগাক্রান্ত গরু পৃথক করে এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আক্রান্ত প্রাণীর চিকিৎসা: যেসব রোগের চিকিৎসা আছে সেসব ক্ষেত্রে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে, কিন্তু যে রোগের চিকিৎসা করালেও পরিপূর্ণভাবে ভালো হয় না এবং রোগের বাহক হিসেবে গরুটির বেঁচে থাকার সম্ভবনা থাকে সেসব গরুকে জবাই করে মৃতদেহ পুড়িয়ে অথবা মাটির নিচে পুঁতে রাখতে হবে।

রোগাক্রান্ত এলাকার প্রাণী বিক্রয় না করা: রোগ দেখা দিলেই অনেক রোগাক্রান্ত প্রাণী ও তার পরিচর্যা: রোগাক্রান্ত গরুর সেবা বা আনুষঙ্গিক লোকের মধ্যে রোগাক্রান্ত গরু বাজারে বিক্রয়ের প্রবণতা দেখা যায়, এর ফলে রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করে। এ প্রবণতা অবশ্যই রোধ করতে হবে। ব্যবস্থাপনা ভিন্ন লোক দ্বারা করানোই ভালো। রোগাক্রান্ত গরুর ঘরের ময়লা, আবর্জনা, খড়কুটা সব পুড়িয়ে ফেলাই উত্তম। তা না হলো মাটিতে পুঁতে রাখতে হবে। প্রতিদিন ঘরে সুবিধাজনক কোনো জীবাণুনাশক যেমন- স্যাভলন, আইওসান, ফিনাইল বা ডেটল ব্যবহার করতে হবে। মৃতদেহের সৎকার: সংক্রামক রোগে আক্রান্ত গরু মারা গেলে তার দেহে প্রচুর পরিমাণে সংশ্লিষ্ট রোগের জীবাণু থাকে। রোগে মরা গরুর মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলাই উত্তম, না পারলে অবশ্যই মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। রোগ প্রতিরোধের জন্য উপরে বর্ণিত বিষয়গুলো মেনে চললে খলিল ও আলমের গরুগুলো নিরাপদে থাকবে। তাই তাদের রোগ প্রতিরোধের বিষয়গুলো খামার ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

4 views

Related Questions