কাশ বেশি হলে কি করলে যলদি কমে যাবে,,,

2873 views

2 Answers

কাশি ভাল হতে সাধারণত একটু সময় লাগে। তবে এটা এটা ব্যক্তি কেন্দ্রিক। কারও কাশি পুরেপুরি ভাল হতে একটু বেশি সময় লাগে কারও কম। তবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অনুসরণ করলে একটু আরাম পাওয়া যায় এবং কাশি কমে যায়।

কাশি দূর করার উপায়সমূহ:
১. মধু : কাশি উপশমে ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে মধুর জুড়ি নেই। মধু কাশি-কফ কমাতে সাহায্য করে। কখনও কখনও ওষুধের চেয়েও ভালো কাজ করে মধু। মধু কাশি বা ঠান্ডার জন্য আদর্শ ওষুধ হলেও এক বছর বয়সের নীচে শিশুদের মধু খাওয়ানো একেবারেই উচিত নয়।

কীভাবে ব্যবহার করবেন : 
ক. এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ মধু, অর্ধেকটা লেবুর রস আর সামান্য আদার রসের মিশ্রণ প্রতিদিন ১/২ বার খেতে হবে। এ মিশ্রণ কফ ও গলা ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করে।

খ. গরম দুধের সাথে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। রাতে ঘুমানোর আগে নিয়মিত পান করলে কাশি উপশম হবে।

গ. দিনে ৩ বার করে ১ টেবিল চামচ মধু খেলেও কাশি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

ঘ. এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়া ও ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খান। দিনে ২ বার খেলে কাশি সেরে যাবে।
 
২. বাসক পাতা : বাসক পাতা পানিতে সেদ্ধ করে, সেই পানি ছেঁকে নিয়ে কুসুম গরম অবস্থায় খেলে কাশি উপশম হয়। দৈনিক সকালে এই পানি খেতে হবে। বাসক পাতার রস প্রতিদিন সন্ধ্যায় খেলে ভালো। ২-৩ দিনেই এর খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। তেতোভাব কমাতে রসের সাথে সামান্য চিনি মেশাতে পারেন।

৩. তুলসী পাতা : তুলসী পাতা থেঁতো করে এতে কয়েক ফোটা মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরী করতে হবে। এই মিশ্রণটি দৈনিক ২/৩ বার খেলে কাশি ভালো হয়।

৪. আদা : আদা ছোট ছোট টুকরা করে তার সাথে লবণ মিশিয়ে নিয়ে কিছুক্ষণ পর পর খেতে হবে। এই পদ্ধতি কাশি দূর করতে বেশ কার্যকরী। তাছাড়া আদা চা করে খেলেও কাশিতে উপকার পাবেন।

৫. গরম দুধে হলুদের মিশ্রণ : দুধকে গরম করে এর মধ্যে অল্প হলুদ মেশাতে হবে। এই হলুদমিশ্রিত দুধ কাশি দূর করতে বেশ উপকারী। হলুদ আমাদের সর্দি কাশি দূর করতে সাহায্য করে। 

৬. লবঙ্গ : কাশি হলে মুখে একটা লবঙ্গ রেখে মাঝেমধ্যে একটু চাপ দিয়ে রস বের করে গিলে ফেলুন। লবঙ্গের রস গলায় আরাম দেবে, জীবাণু দূর করবে।

৭. মেন্থল ক্যান্ডি : মেন্থল দিয়ে তৈরী ক্যান্ডি বা চকোলেট কাশির জন্য উপকারী। এসব ক্যান্ডি শক্ত কফ নরম করে গলা থেকে কফ বের করতে ও কাশি কমাতে পারে।

৮. গার্গল করা : গার্গল করলে কাশি ও গলা ব্যথা দুই-ই কমে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে ১০/১৫ মিনিট ধরে গার্গল করুন। বিরতি দিয়ে দিয়ে কয়েকবার করুন। এটি কাশি কমাতে বেশ কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি।

এছাড়াও কাশি হলে ঠান্ডা পানির পরিবর্তে চেষ্টা করুন গরম পানি পান করার। কাশি হলে গরম পানিতে গোসল করুন। এটা শরীর থেকে কাশির জীবাণুগুলোকে বের করে দেয়। 

2873 views

কাশ কি কারনে হচ্ছে সেটা জানা জরুরী। যদি সর্দির কারনে হয় তাহলে আগে সর্দি কন্ট্রোল করতে হবে।তবে সাধারনত কাশ নিয়ন্ত্রে আনতে ২ দিন পান পাতা চিবিয়ে রস খেলে কাশ থাকবে না।এছাড়াও গরম পানি দিয়ে গড় গড়া কুলি করুন।শুকনো কাশ এর জন্য লজেন্স খুবেই উপকারি। আপনি ফার্মেসী থেকে লজেন্স কিনে আনুন ১ টাকা পিস নিবে।এসব কাশ হলেই চুসে খান দেখবেন কাশ কমে যাবে।

তবে যদি খুবেই অতিরিক্ত কাশ হয় বা কোন রোগের উপসর্গ হয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়াই উত্তম।আসলে কাশ হলেই গলাব্যথা হবে স্বাভাবিক তবে শুধুই কাশ কিনা বা কাশের সাথে আরো অন্য উপসর্গ দেখা দেয় কিনা এসব জানিয় দিয়ে চিকিৎসা নিবেন।

ধন্যবাদ। 

2873 views

Related Questions

কিছুদিন কাশ?
1 Answers 2365 Views