2 Answers
- প্রথমে স্ত্রীকে বোঝান।
- তারপর ধমক দিন।
- বিছানা পৃথক করুন।
- হালকা শাস্তি দিন।
- এক তালাক দিন
- তারপরও না শোধরালে চিরদিনের জন্য আলাদা হয়ে যান।
3231 views
Answered
স্ত্রী অবাধ্য, অবুঝ, বদমেজাজি, হিংসুটে হলে করণীয়ঃ
১। নিয়মিত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে স্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন, যাতে আল্লাহ তাকে আপনার মনের মতো করে দেন।
২। মসজিদের পাশাপাশি ঘরে সুন্নাত ও নফল নামাজ পড়বেন এবং কুরআন তিলাওয়াত করবেন। এতে আপনার ঘরে আল্লাহর রহমত নাযিল হবে। ফলস্বরুপ, আপনি ও আপনার স্ত্রী রহমতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। এতে আপনার স্ত্রীর মধ্যে ভালো পরিবর্তন আসবে।
৩। সবসময় ঘরে ইসলামী হামদ-নাত, গজল ও ওয়াজ শুনুন। আপনার স্ত্রীর কানে এসব হামদ-নাত, গজল ও ওয়াজের মধুর ও শিক্ষণীয় শব্দ একটা সময় দারুণ পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।
৪। স্ত্রীকে কখনো বকাঝকা-মারধর করবেন না। ভালোবাসা দিয়ে এবং ইসলামীক বয়ান দিয়ে তাকে বুঝানোর চেষ্টা করবেন।
৫। তালাক ইসলামে কারণবশত হালাল হলেও অপছন্দনীয় কাজ। তাই এটি থেকে যে পুরুষ বেঁচে থেকে স্ত্রীর সাথে সারাজীবন ভালোভাবে সংসারজীবন কাটানোর চেষ্টা করে এবং সক্ষম হয়, সেই সত্যিকারের সফল পুরুষ ও সফল স্বামী।
৬। স্ত্রী অবাধ্য হলে তাকে স্বামীর প্রতি অবাধ্যতার কুফল বর্ণনা করুন, অবুঝ হলে বোঝান, বদমেজাজি হলে আপনি নরম হয়ে তার মেজাজ ঠিক রাখার চেষ্টা করুন, সুষম খাবার দিন, যাতে তার মেজাজ খিটখিটে না হয়, হিংসুটে হলে হিংসার কুফল বর্ণনা করুন।
৭। মৃত্যুর পরের জীবনের চিরস্থায়ী সুখ ও দীর্ঘস্থায়ী কঠোর শাস্তির কথা বর্ণনা করুন।
৮। হাল ছেড়ে না দিয়ে নিজেকে ও নিজের স্ত্রীকে সফল দম্পতি হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন।
৯। কিন্তু তারপরও যদি আপনারা সফল দম্পতি হতে ব্যর্থ হোন এবং দাম্পত্য জীবনের একটি বড় ব্যর্থতাকে বরণ করে নিতে চান, সেক্ষেত্রে উভয় পরিবারকে নিয়ে সামাজিকভাবে ইসলামী নিয়ম মোতাবেক পৃথক হয়ে যান। তবে নিঃসন্দেহে এটি কোনো দম্পতি ও দাম্পত্য জীবনের জন্যই কাম্য নয়। ধন্যবাদ।
3231 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy