preview

Badshah Niazul Hasan Jewel Molla (@BadshahNiazul)

মুখের ব্রণ কীভাবে দূর করবো?

BadshahNiazul
May 19, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

ব্রণ হলেঃ

  1. নিমপাতা বা নিম ফলের বীচি পানিসহ বেঁটে ৪-৫ দিন ব্রণে ব্যবহার করা উচিত।
  2. শিমুলের ছাল বেঁটে ব্রণের উপর লাগালে ব্রণ সেরে যায়।
  3. ব্রণ হলে চিরতার ক্বাথ তৈরি করে প্রত্যহ সকালে মিছরী চূর্ণসহ খাওয়া উচিত।

উপরোক্ত যেকোনো একটি উপায়ে আপনি আপনার মুখের ব্রণ দূর করতে পারেন‌। ধন্যবাদ।

নিয়ম এবং আইন-এর পার্থক্য কী?

BadshahNiazul
May 19, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন
'নিয়ম' হচ্ছে 'যেটা মেনে চলা উচিত'। আর 'আইন' হচ্ছে সেই সকল নিয়ম, যা মেনে না চললে বা ভঙ্গ করলে, আপনাকে শাস্তি পেতে হবে। অর্থাৎ সকল আইনই নিয়ম, কিন্তু সকল নিয়মই আইন নয়। ধন্যবাদ।
বাংলা সঠিক বানান হচ্ছে মাহদি/মাহদী। ইংরেজিতে 'Mahdi' আর আরবিতে ( مَهْدِي )। মাহদি/মাহদী নামের আরবি অর্থ ভালো নির্দেশিত, সৃষ্টিকর্তা দ্বারা পথপ্রদর্শিত, সুপথ প্রাপ্ত। তবে আপনি আপনার ছেলের নাম রাখতে পারেনঃ ১। মোহাম্মদ মাহদী। ২। মাহদী আহাম্মদ। ৩। মাহদী ইসলাম। ৪। মাহদী হাসান। ৫। মাহদী হোসাঈন। ৬। মাহদী মোহাম্মদ। (ধন্যবাদ)

amr jor?

BadshahNiazul
May 19, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন
জ্বর হলে সাধারণত নাপা, প্যারাসিটামল খাওয়া হয়। তবে যেহেতু আপনার জ্বর ও জ্বর বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে, সেহেতু ভালো একজন ডাক্তারের কাছে গিয়ে তার পরামর্শ মোতাবেক কাজ করুন এবং তিনি যেই ঔষধ আপনাকে দিবেন, সেটি সেবন করুন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। আশা করি, শ্রীঘ্রই সুস্থ হয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

আরিয়ান রয়েল নামের অর্থ কি?

BadshahNiazul
May 19, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন
Arian (আরিয়ান) শব্দের অর্থ 'আর্য' আর Royal (রয়েল) শব্দের অর্থ 'রাজকীয়' বা 'রাজবংশীয়'। সুতরাং, 'আরিয়ান রয়েল' নামের অর্থ 'রাজবংশীয় আর্য'। ধন্যবাদ।

তাসবীহ কত ধরণের ও কী কী?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

এই তাসবীহ সমূহ আমরা সারাদিনে রাতে যেকোন সময় যেকোন স্থানেই করতে পারি শুধুমাত্র টয়লেটে ও স্বামী স্ত্রীর সহাবস্থানের সময় ছাড়া। অযু থাকা বা না থাকা যেকোন অবস্থায় কেবলামুখী হই বা না হই তাতে কোন সমস্যা নেই। হাতে গুনে গুনে পড়াটাই সুন্নাহ ও উত্তম।

তাসবীহ ১ঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার বলে,

«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ».

(সুব্‌হানাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহী)

‘আমি আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি’, তার পাপসমূহ মুছে ফেলা হয়, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির সমান হয়ে থাকে।” বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৫; মুসলিম ৪/২০৭১, নং ২৬৯১

তাসবীহ ২ঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত বাণীটি ১০ বার বলবে,

«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ».

(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর)।

“একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” এটা তার জন্য এমন হবে যেন সে ইসমাঈলের সন্তানদের চারজনকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করল।” বুখারী ৭/৬৭ নং ৬৪০৪;

তাসবীহ ৩ঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা যবানে সহজ, মীযানের পাল্লায় ভারী এবং করুণাময় আল্লাহ্‌র নিকট অতি প্রিয়। আর তা হচ্ছে,

«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ».

(সুব্‌হানাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী, সুব্‌হানাল্লা-হিল ‘আযীম)।

‘আল্লাহ্‌র প্রশংসাসহকারে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করছি। মহান আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি’।” বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৪;

তাসবীহ ৪ঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,“সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার— সূর্য যা কিছুর উপর উদিত হয় তার চেয়ে এগুলো বলা আমার কাছে অধিক প্রিয়।” মুসলিম, ৪/২০৭২, নং ২৬৯৫।

তাসবীহ ৫ঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমাদের কেউ কি প্রতিদিন এক হাজার সওয়াব অর্জন করতে অপারগ?” তাঁর সাথীদের মধ্যে একজন প্রশ্ন করে বলল, আমাদের কেউ কী করে এক হাজার সওয়াব অর্জন করতে পারে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে, তার জন্য এক হাজার সওয়াব লেখা হবে অথবা তার এক হাজার পাপ মুছে ফেলা হবে। ”মুসলিম ৪/২০৭৩, নং ২৬৯৮।

তাসবীহ ৬ঃ

“যে ব্যক্তি বলবে,

« سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ ».

(সুব্‌হানাল্লা-হিল ‘আযীম ওয়াবিহামদিহী)।

‘মহান আল্লাহর প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি’— তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হবে।”  তিরমিযী ৫/১১, নং ৩৪৬৪

তাসবীহ ৭ঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ওহে আব্দুল্লাহ ইবন কায়েস! আমি কি জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করব না?” আমি বললাম, নিশ্চয়ই হে আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন, “তুমি বল,

«لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ».

(লা হাউলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ)।

“আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।” বুখারী, ফাতহুল বারীসহ ১১/২১৩, নং ৪২০৬; মুসলিম ৪/২০৭৬, নং ২৭০৪।

তাসবীহ ৮ঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় বাক্য চারটি, তার যে কোনটি দিয়েই শুরু করাতে তোমার কোনো ক্ষতি নেই। আর তা হলো,

«سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ».

(সুবহানাল্লা-হি ওয়ালহাম্‌দু লিল্লা-হি ওয়ালা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার)।

“আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়।”মুসলিম ৩/১৬৮৫, নং ২১৩৭।

তাসবীহ ৯ঃ

এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, আমাকে একটি কালেমা শিক্ষা দিন যা আমি বলব। তখন রাসূল বললেন, “বল,

«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيراً، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيراً، سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ العَالَمِينَ، لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ»

(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, আল্লা-হু আকবার কাবীরান, ওয়ালহামদুলিল্লা-হি কাসীরান, সুবহা-নাল্লা-হি রাব্বিল আ-লামীন, লা হাউলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হিল ‘আযীযিল হাকীম।)

“একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়, অতীব বড়। আল্লাহ্‌র অনেক-অজস্র প্রশংসা। সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান। প্রবল পরাক্রমশীল ও প্রজ্ঞাময় আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।”

তখন বেদুঈন বলল, এগুলো তো আমার রবের জন্য; আমার জন্য কী? তিনি বললেন: “বল,

«اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَاهْدِنِي، وَارْزُقْنِي».

(আল্লা-হুম্মাগফির লী, ওয়ারহামনী, ওয়াহদিনী,  ওয়ারযুক্বনী)

“হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে হেদায়াত দিন এবং আমাকে রিযিক দিন।” মুসলিম ৪/২০৭২, নং ২৬৯৬।

তাসবীহ ১০ঃ

“কোনো ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রথমে সালাত শিক্ষা দিতেন। অতঃপর এসব কথা দিয়ে দো‘আ করার আদেশ দিতেন,

«اللَّهُمَّ اغْفِرِ لِي، وَارْحَمْنِي، وَاهْدِنِي، وَعَافِنِي وَارْزُقْنِي».

(আল্লা-হুম্মাগফির লী ওয়ারহামনী ওয়াহদিনী ওয়া ‘আ-ফিনী ওয়ারযুক্বনী)।

“হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে দয়া করুন, আমাকে আপনি হেদায়াত দিন, আমাকে নিরাপদ রাখুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।” মুসলিম ৪/২০৭৩; নং ৩৬৯৭।

তাসবীহ ১১ঃ

“সর্বশ্রেষ্ঠ দো‘আ হল,

«الْحَمْدُ لِلَّهِ»

(আলহামদু লিল্লাহ)

“সকল প্রশংসা আল্লাহরই”। আর সর্বোত্তম যিক্‌র হল,

«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ»

(লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ)

“আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই।” তিরমিযী ৫/৪৬২, নং ৩৩৮৩;

তাসবীহ ১২ঃ

“‘আল-বাকিয়াতুস সালিহাত’ তথা চিরস্থায়ী নেক আমল হচ্ছে,

«سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ».

(সুবহা-নাল্লা-হি, ওয়ালহামদুলিল্লা-হি, ওয়া লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়ালা হাউলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হি)

“আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।” মুসনাদে আহমাদ নং ৫১৩;

(সংগৃহীত)

তাসবীহ কত ধরণের ও কী কী?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

তাসবীহ পাঠ করার সহজ উপায়

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ লিখেছেন

হাতের ৫ আঙ্গুলে একবারেই ৩৩ বার গণনা করে তাসবীহ পাঠকে আরোও সহজ করে তুলুন। হাতে তাসবীহ পাঠ করা বিশুদ্ধ সুন্নাত। আল্লাহ আমাদেরকে বেশি বেশি তাসবীহ পাঠ করার তাওফিক দান করুন। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার।

(জাজাকাল্লাহু খাইরান)

What is COVID-19?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

Corona virus disease (COVID‑19)

Also called: 2019-nCov, 2019 Novel Corona virus.

Coronavirus disease (COVID-19) is an infectious disease caused by a new virus.
 

The disease causes respiratory illness (like the flu) with symptoms such as a cough, fever, and in more severe cases, difficulty breathing. You can protect yourself by washing your hands frequently, avoiding touching your face, and avoiding close contact (1 meter or 3 feet) with people who are unwell.
 

How it spreads

Coronavirus disease spreads primarily through contact with an infected person when they cough or sneeze. It also spreads when a person touches a surface or object that has the virus on it, then touches their eyes, nose, or mouth.

Chiv: Google

What is COVID-19?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

What is the meaning of the word COVID-19?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

CO=Corona (করোনা)

 

VI=Virus (ভাইরাস)

 

D=Disease (ব্যাধি)

 

19=2019

What is the meaning of the word COVID-19?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

What is the meaning of the word BISSOY?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

B=Brilliancy (প্রতিভা)।

I=Information (তথ্য)।

S=Surprise (বিস্ময়/চমকপ্রদ)।

S=Shine (উদ্ভাসিত/ঔজ্জ্বল্য)।

O=Oracle (সুবিজ্ঞ ব্যক্তি/জ্ঞানী লোক)।

Y=Yard (অঙ্গন/প্রাঙ্গণ)।

What is the meaning of the word BISSOY?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

What is Bissoy?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

Bissoy is the largest question answering site in Bengali (বিস্ময় বাংলা ভাষার বৃহত্তম প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক সমস্যা সমাধানের সাইট)।

What is Bissoy?

BadshahNiazul
Mar 31, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

ইসলাম শান্তির ধর্ম। কল্যাণের ধর্ম। মুক্তির ধর্ম। মানবজীবনের সকল সমস্যার সমাধান আছে বলেই এই জীবনব্যবস্থা সকল যুগের সকল মানুষের জন্য উপযোগী।

সম্প্রতি চীন থেকে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত ভাইরাস ‘করোনা’। যে ভাইরাসের সাথে কিছুদিন আগেও মানুষ পরিচিত ছিলো না। কারণ, এই ভাইরাস এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে দেখা যায়নি। তবে ২০০২ সালে চীনে সার্স (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামের একটি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল, যাতে সংক্রমিত হয়েছিল ৮ হাজার ৯৮ জন। মারা গিয়েছিল ৭৭৪ জন। সেটিও ছিল এক ধরনের করোনা ভাইরাস। যার লক্ষণগুলো হলো- কাশি, জ্বর, শ্বাস-কষ্ট, নিউমোনিয়া।

ব্যাপক হারে মানুষ মহান আল্লাহ তায়ালার অবাধ্য হলে আল্লাহ পাক পৃথিবীতে গজব নাজিল করেন; যাতে মানুষ তাদের ভুল বুঝতে পেরে তওবার মাধ্যমে আবার ফিরে আসতে পারে। এই গজব বা মহামারি আসলে, তখন করণীয় কী? ইসলামে এ সম্পর্কে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। যেকোনো মহামারি থেকে বাঁচতে প্রথম ও প্রধান করণীয় হচ্ছে- নিজেদের কৃতকর্ম থেকে তওবা করা এবং বেশি বেশি ইস্তেগফার করা।

এই মুহূর্তে আমাদের সবার উচিত, মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকা। সর্বদা পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন থাকা। কারণ, কিয়ামতের নিদর্শনগুলোর একটি হলো মহামারি। রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) ইরশাদ করেন, কিয়ামতের আগের ছয়টি নিদর্শন গণনা করে রাখো। আমার মৃত্যু, অতঃপর বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়, অতঃপর তোমাদের মধ্যে ঘটবে মহামারি, বকরির পালের মহামারির মতো, সম্পদের প্রাচুর্য, এমনকি এক ব্যক্তিকে একশ’ দিনার দেয়ার পরও সে অসন্তুষ্ট থাকবে। অতঃপর এমন এক ফিতনা আসবে, যা আরবের প্রতিটি ঘরে প্রবেশ করবে। অতঃপর যুদ্ধবিরতির চুক্তি, যা তোমাদের ও বনি আসফার বা রোমকদের মধ্যে সম্পাদিত হবে। অতঃপর তারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে এবং ৮০টি পতাকা উড়িয়ে তোমাদের বিপক্ষে আসবে; প্রতিটি পতাকার নিচে থাকবে ১২ হাজার সৈন্য। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩১৭৬)

উক্ত হাদিসের ভাষ্য আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে অনেকাংশেই মিলে যায়; বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে প্রাচুর্য বেড়েই চলছে। নতুন নতুন রোগ আত্মপ্রকাশ করছে। এগুলো বন্ধ করার সাধ্য কারো নেই। তবে এই পরিস্থিতিতে আমরা রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর দেখানো পথ অনুসরণ করতে পারি।

মহামারি প্রসঙ্গে রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেন, এটি আল্লাহর গজব বা শাস্তি, বনি ইসরাঈলের এক গোষ্ঠীর ওপর এসেছিল, তার বাকি অংশই হচ্ছে মহামারি। অতএব, কোথাও মহামারি দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থানরত থাকলে সে জায়গা থেকে চলে এসো না। অন্যদিকে কোনো এলাকায় এটা দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে সে জায়গায় যেয়ো না। (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ১০৬৫)

তাই আমাদের উচিত, যেখানে এ ধরনের রোগের প্রকোপ দেখা দেবে, সেখানে যাতায়াত থেকে বিরত থাকা। এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশ সরকারিভাবে করোনা আক্রান্ত দেশগুলোতে যাতায়াতে সতর্কতা জারি করেছে। যেহেতু চিকিৎসকদের মতে, এ ভাইরাসটি একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে ছড়ায়। সাধারণত ফ্লু বা ঠান্ডা লাগার মতো তীব্র নিউমোনিয়া সিনড্রোমের মতো করেই এ ভাইরাস ছড়ায়।

মহামারি আল্লাহর গজব হলেও এতে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিকে পাপী-জাহান্নামি মনে করা যাবে না। রাসুল (সা.)-এর ভাষায় মহামারিতে মারা যাওয়া ব্যক্তিও শহীদ। আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, পাঁচ প্রকার মৃত শহীদ—মহামারিতে মৃত, পেটের পীড়ায় মৃত, পানিতে ডুবে মৃত, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত এবং যে আল্লাহর পথে শহীদ হলো।

(সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৮২৯)।

অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, মহামারিতে মৃত্যু হওয়া প্রতিটি মুসলিমের জন্য শাহাদাত। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৮৩০)

অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় তিনবার বলবে ‘বিসমিল্লা-হিল্লাজী লা ইয়াদ্বুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা ফিস সামা-ই, ওয়াহুয়াস সামী‘উল আলীম’, অর্থাৎ ‘আল্লাহর নামে, যাঁর নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী’; সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোনো হঠাৎ বিপদ আসবে না। আর যে তা সকালে তিনবার বলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর কোনো হঠাৎ বিপদ আসবে না। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৮৮)

এছাড়া নবীজি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) মহামারি থেকে বাঁচতে বেশি বেশি এই দোয়া পড়তে বলেছেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আঊজুবিকা মিনাল বারাসি, ওয়াল জুনুনি, ওয়াল জুযামি, ওয়া সাইয়ি ইল আসক্কাম’।

●ইসলামের আলোকে 'করোনা ভাইরাস' থেকে বাঁচার উপায়ঃ

১। সবসময় পবিত্র ও অজু অবস্থায় থাকুন।

২। পরিচ্ছন্ন থাকুন ও পরিচ্ছন্ন রাখুন।

৩। নিয়মিত গোসল করুন।

৪। লাইফবয় লেমন ফ্রেশ হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে নিয়মিত হাত ধুয়ে নিন।

৫। নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার করুন।

৬। সবসময় নোজ মাস্ক পরিধান করুন।

৭। প্রতি সপ্তাহে হাত-পায়ের নখ ছোট করুন।

৮। নিয়মিত নাকের ছিদ্র পরিষ্কার রাখুন।

৯। খালি পায়ে হাঁটা থেকে বিরত থাকুন।

১০। কাঁচা বা আধা সিদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

১১। ধূমপান ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

১২। ঠান্ডা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

১৩। হারাম খাদ্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

১৪। নিয়মিত উষ্ণ কিছুটা পানি পান করুন।

১৫। প্রতিদিন কিছু সময় রোদে অবস্থান করুন।

১৬। নিয়মিত নামাজ পড়ুন।

১৭। রোজা রাখুন।

১৮। কুরআন তিলাওয়াত করুন।

১৯। দান-খয়রাত করুন।

২০। করোনা ভাইরাসকে নয়, একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করুন।

২১। সবকিছুতেই একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করুন।

২২। একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন।

২৩। মহান আল্লাহ তায়ালা ও হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-কে ভালোবেসে কুরআন ও হাদীসকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরুন।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে নেক আমল করার তাওফিক দান করুন এবং সকল প্রকার রোগ-শোক, বিপদ-আপদ ও ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

(ধন্যবাদ)

◆অমুসলিম মনীষীদের দৃষ্টিতে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ):

১★টমাস কার্লাইলঃ আমি মোহাম্মদকে পছন্দ করি, ভন্ডামি থেকে তাঁর সম্পূর্ণ মুক্তির জন্য।

২★এডওয়ার্ড গিবনঃ মোহাম্মদের ধর্মমত স্বার্থকতার সন্দেহ থেকে মুক্ত আর কুরআন আল্লাহর অদ্বিতীয়ত্বের গৌরবময় সাক্ষ্য। মানবজাতির বিশ্বাসের উপর বিধি-সংগত আধিপত্য বিস্তার করা শুধুমাত্র সৃষ্টিকর্তা অনুপ্রাণিত কোন নবীর পক্ষেই সম্ভব।

৩★এইচ জি ওয়েলসঃ মোহাম্মদ কোনো মানুষের ক্ষতি না করেই সেই আকর্ষণীয় বিশ্বাসগুলো মানবজাতিকে হৃদসংগম করেছিলেন। ইসলাম সৃষ্টি করেছিলো এমন এক সমাজ, যা আগের যেকোনো সমাজের তুলনায় নিষ্ঠুরতা ও সামাজিক অত্যাচার থেকে মুক্ত।

৪★মহাত্মা গান্ধীজীঃ অনুচরদের জীবনী থেকে আমি খোদার নবীর জীবনী অধ্যয়নে উপনীত হলাম। আমার বিশ্বাস জন্মালো যে, ঐ সময় যে জিনিসের মাধ্যমে ইসলামের আসন অর্জিত হয়েছিলো, তা তরবারি নয়। তা ছিলো নবীর সরলতা, সম্পূর্ণ অহম বিলাপ, চুক্তির প্রতি সম্মান, বন্ধু ও অনুসারীদের প্রতি গভীর অনুবাস এবং তাঁর নির্ভীকতা।

৫★গুরু নানকঃ মানুষ যে অবরিত অস্থির ও দোজখে যাবে, তার একমাত্র কারন হলো, মোহাম্মদ নবীর প্রতি ভালো কোনো শ্রদ্ধা নেই।

৬★প্রফেসর মন্টগোমারী ওয়াটঃ তিনি সৃষ্টি করেছিলেন সামাজিক নিরাপত্তার এমন এক নতুন পদ্ধতি ও সংগঠন, যার উভয়টিই ছিলো পূর্বেকার ব্যবস্থার উপর বিরাট উন্নতির সাধন।

৭★পন্ডিত জহেরু লাল নেহেরুঃ হযরত মোহাম্মদের প্রচারিত ধর্ম, তাঁর সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা এবং বৈপ্লবিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, সাম্য ও ন্যায়নীতি পার্শ্ববর্তী রাজ্যের লোকদের অনুপ্রাণিত করে, তাদের কাছে এ নতুন ব্যবস্থা ছিলো মুক্তির দিশারী।

৮★নেপোলিয়ন বোনাপার্টঃ আমি প্রশংসা করি সৃষ্টিকর্তার এবং আমার শ্রদ্ধা রয়েছে পবিত্র নবী ও পাক কুরআনের প্রতি। কয়েক বছরের মধ্যেই মুসলমানরা অর্ধেক পৃথিবী জয় করেছিলো। মিথ্যা দেবতা বা শয়তানের কাছ থেকে তারা ছিনিয়ে নিয়েছিলো আরো অনেক আত্মাকে। তাই মোহাম্মদ এক মহান ব্যক্তিত্ব।

৯★জর্জ বার্নাডশঃ আমি সবসময়ই মোহাম্মদের ধর্ম সম্পর্কে, তাঁর আশ্চার্য জীবনী শক্তির কারনে উচ্চ শ্রদ্ধা পোষন করে এসেছি।

১০★আর বি সি ব্যাডলঃ মনে হয়, একথা জোর নিয়ে প্রকাশ করা আল্লাহরই ইচ্ছা ছিলো যে, মোহাম্মদ তাঁর শেষ নবী এবং ইসলাম তাঁর দেয়া শেষ ধর্ম।

১১★মেজর আর্থার ক্লাইন লিওনার্সঃ তিনি ছিলেন যেকোনো যুগ বা কালের গভীরতম খাঁটি ও স্থিরকারীদের অন্যতম। তিনি শুধু মহত্‍ নন, মানব ইতিহাসে এ যাবত্‍ যারা আবির্ভূত হয়েছেন, তাদের মধ্যে সবচেয়ে মহত্‍, সবচেয়ে নিখাঁদ। তিনি মহত্‍ শুধু নবী হিসেবেই নন, দেশপ্রেমিক এবং রাষ্ট্রনায়ক হিসেবেও।

১২★জন মিল্টনঃ মোহাম্মদ আবির্ভূত হলেন ষষ্ঠ শতাব্দীতে এবং পৌরলিকতাকে নিশ্চিহ্ন করলেন এশিয়া, আফ্রিকা, মিশরসহ পৃথিবীর অনেকাংশ থেকে, যার সর্বাংশেই আজ পর্যন্ত এক পবিত্র আল্লাহর উপাসনা প্রতিষ্ঠিত।

১৩★ফিলিপ কে হিট্রিঃ মোহাম্মদ তাঁর স্বল্প পরিসর জীবনে নগণ্য জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে এমন এক জাতি ও ধর্মের পত্তন করলেন, যার ভৌগোলিক প্রভাব খ্রিস্টান ও ইহুদিদের অতিক্রম করে গেলো। আজো মানবজাতির এক বিরাট অংশ সেই ধর্মের অনুসারী।

১৪★প্রফেসর ল্যামারটিনঃ দার্শনিক, সুবক্তা, স্বর্গীয় দূত, আইনবেত্তা, যোদ্ধা, আদর্শ বিজেতা, মানবিক রীতি-নীতির প্রবক্তা, বিশটি আঞ্চলিক প্রশাসন ও একটি আধ্যাত্মিক সামাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, এই ছিলেন মোহাম্মদ। মানুষের মহত্ত্বের পরিমাপ করা সম্ভব এমন সব মানদন্ডের বিচারেই আমরা যথার্থ এই প্রশ্ন করতে পারি, মোহাম্মদের চাইতে মহত্‍ কোনো ব্যক্তি আছে কি?

১৫★ডব্লিউ ডব্লিউ হান্টারঃ অনেক জাতির পৌত্তলিকতা ধ্বংস করার জন্য মহান প্রভুর স্বর্গীয় আয়োজনের অনুগ্রহে উত্থিত হয়েছিলো মোহাম্মদের ধর্ম।

১৬★মেজর জেনারেল ফার্লঙঃ আমাদের অবশ্যই একথা স্বীকার করতে হবে যে, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম শাসক ও ইতিহাস স্রষ্টাদের তালিকায় এই নবীর স্থান উর্ধ্বে।

১৭★বার্ট্রাড রাসেলঃ শুধুমাত্র পশ্চিম ইউরোপের মধ্যে আমাদের দৃষ্টি সীমাবদ্ধ বলেই আমরা ৬৯৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে অন্ধকার যুগ বলে আখ্যায়িত করি। অথচ এই সময়েই ভারতীয় উপমহাদেশ হতে স্পেন পর্যন্ত বিশাল ভূভাগে গৌরবোজ্জ্বল ইসলামী সভ্যতার বিকাশ ঘটে।

১৮★গ্যেটেঃ এটাই যদি ইসলাম হয়, তাহলে আমরা সকলেই কি ইসলামের অন্তর্ভূক্ত নই?

১৯★জন অস্টিনঃ এক বছরের কিছু বেশি সময় হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) মদীনায় শাসনকার্য পরিচালনা করেছিলেন, যা সমগ্র পৃথিবীতে সৃষ্টি করেছিলো মহা আলোড়ন।

২০★টর আঁদ্রোঃ আমরা যদি হযরত মোহাম্মদের প্রতি সুবিচার করি, তাহলে একথা আমাদের জোর দিয়ে বলতে হবে যে, আমরা খ্রিস্টানরা সজ্ঞানভাবে বা অবচেতনভাবে স্বীকার করি, বাইবেলের স্বর্গীয় বাণীতে আমরা যে অদ্বিতীয় ও সুউচ্চ চরিত্রের দর্শন পাই, মোহাম্মদ সেই চরিত্র।

২১★এনি বেসান্তঃ আরবের নবী মোহাম্মদের জীবন-চরিত্র যিনি অধ্যয়ন করবেন, আর যাই করুন তিনি অবশ্যই সেই নবীকে ভালোবেসে ফেলবেন। মহান স্রষ্টার এ বার্তাবাহী জানতেন কিভাবে জীবনযাপন করতে হয় এবং কিভাবে তা মানুষকে শিক্ষা দিতে হয়। আমি যা বলছি, অনেকেই হয়তো তা জানেন। তবুও যখনই তাঁকে নিয়ে আলোচনা করি, তখনই আরবের সেই শক্তিমান শিক্ষকের প্রতি নতুন করে আবার শ্রদ্ধাবোধ ও অনুরক্তির সৃষ্টি হয়।

২২★এস সি বুকেটঃ মোহাম্মদ (সাঃ)-এর সামাজিক ও রাজনৈতিক আদর্শ ছিলো বিলীয়মান বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য থেকে অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন, ব্যাপক, প্রাণ-প্রদীপত্ব ও উদ্যমশীল। তিনি খুবই সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন, কিন্তু তাই বলে তিনি কখনো সন্যাসী ছিলেন না।

২৩★আর ভি সি দয়ালঃ মোহাম্মদ (সাঃ) ধর্মের ইতিহাসে অদ্বিতীয় স্থান অধিকার করে আছেন। কারন তিনি কোনো সন্যাসী বা দেবতা ছিলেন না, বরং অমায়িক চরিত্রের কারনে সকলের উপর তাঁর ছিলো বিস্ময়কর প্রভাব।

২৪★এন এন ব্রেঃ হজ্জ্ব অনুষ্ঠানের দ্বারা মোহাম্মদ যা করেছেন, তা নিছক এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের অনেক উর্ধ্বে। হজ্জ্বের মতো মহা সম্মেলন বিশ্বের সকল প্রান্তের মুসলমানদের ধ্যান-ধারণা ও আদান-প্রদানের যে স্থায়ী ব্যবস্থা করেছে, তার কাছে আজকের ইউরোপের সুসংবদ্ধ ও সুশৃংখল প্রচার ব্যবস্থা প্রায় মূল্যহীন।

২৫★লা ঝোঁকে ডি বোর্লেভিলাঃ মোহাম্মদ যে ধর্মীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, তা তাঁর সাথীদের মন-মেজাজ ও দেশের প্রচলিত রীতি-নীতির ক্ষেত্রে শুধু উপযুক্ত ছিলো না, বরং তা ছিলো এসবেরও অনেক উর্ধ্বে। মাত্র ৪০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষ তাঁর ধর্মে আশ্রয় গ্রহণ করলো। সুতরাং এটা এমন একটা মতাদর্শ, যার কথা শুনতে হয় এবং যা স্বাভাবিকভাবেই হৃদয়ে প্রবেশ করে থাকে।

২৬★বিশপ বয়ড কার্পেন্টারঃ ভয় ও অজ্ঞানতার কুয়াশার মধ্য দিয়ে অনেকেই মোহাম্মদকে অবলোকন করেছেন এবং তাঁদের কাছে তিনি এমন ভয়ংকর যে, যার সম্পর্কে যেকোনো মন্দ কথাই উচ্চারণ করা যায়। কিন্তু এখন সেই সন্দেহের মেঘ দূরীভূত হয়েছে, ইসলামের মহান প্রবর্তককে এখন আমরা পরিষ্কার আলোকে অবলোকন করতে পারছি।

২৭★জন ডেভেনপোর্টঃ ইসলামের প্রথম অনুসারীরা ছিলেন মোহাম্মদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নিকট আত্মীয়। নবীর সত্যতার এটা একটা শক্তিশালী প্রমাণ। কারন, তাঁরা ব্যক্তি মোহাম্মদ ও নবী মোহাম্মদকে ঘনিষ্ঠভাবে জানতেন। নবুয়তেরও ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে, তাঁদের দৃষ্টি এড়াতো না।

২৮★এইচ এ আর গিবনঃ আজ এটা এক বিশ্বজনীন সত্য যে, মোহাম্মদ নারীদেরকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় অভিষিক্ত করেন।

২৯★মরিস গডফ্রেঃ মোহাম্মদ একজন রাসূল ছিলেন, এটা যেকোনো নিরপেক্ষ মানুষের কাছেও সুস্পষ্ট। তত্‍কালীন সময়ে তাঁকে ঘিরে মুসলমানদের যে সভা-সমাজ গড়ে উঠেছিলো, মুসলমানরা তাঁর আইন পালন করে সন্তুষ্ট ছিলো।

৩০★আর্থার গিলম্যানঃ মক্কা বিজয়কালে মক্কাবাসীদের অতীত দুর্ব্যবহার তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজিত করা উচিত ছিলো, কিন্তু তিনি তাঁর সেনাবাহিনীকে সকল রক্তপাত থেকে বিরত রাখেন। মাত্র ১০জন ব্যক্তিকে তাঁদের অতীতের জঘন্য অপরাধের জন্য দন্ড প্রদান করা হয়, এর মধ্যে ৪জন মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হয়। অন্যান্য বিজেতাদের তুলনায় এটা এক মহত্‍ দৃষ্টান্ত। ১৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে জেরুজালেম আধিকার কালে খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা ৭০০০০ মুসলিম নারী, শিশু ও অসহায়দের নির্মমভাবে হত্যা করে।

৩১★স্যার উইলিয়াম ম্যুরঃ হিজরীর ১৩ বছর আগে মক্কা প্রাণহীন অবস্থায় অবনত হয়ে পড়েছিলো। এই ১৩টি বছর মোহাম্মদ (সাঃ) সেখানে এনেছেন আমূল পরিবর্তন।

৩২★এম এন রায়ঃ মোহাম্মদ (সাঃ)-এর ধর্মের দারুন বিস্তার মানবজাতির ইতিহাসে স্থাপন করেছে সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর এক অধ্যায়। নিজের প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধর্ম প্রচারকই অদ্ভূত কোনো কান্ড কিংবা অলৌকিক কোনো ঘটনার সাহায্য গ্রহণ করে থাকেন। সেই দিক দিয়ে মোহাম্মদ (সাঃ) তাঁর পূর্বের ও পরের যেকোনো মনীষী অপেক্ষায় শ্রেষ্ঠ বলে পরিগণিত হবার যোগ্য। জগতে যত অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে, ইসলামের প্রসার তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।

৩৩★মিসেস এনি বেসান্তঃ কত অসম্পূর্ণ সেই সব লোক, যারা নবী মোহাম্মদ (সাঃ)-কে আক্রমণ করে। অনেকেই তাঁর জীবন ইতিহাস জানে না। কত সহজ, কত বীরত্বব্যঞ্জক, পরিশেষে কত মহত্‍, ঐতিহাসিক মানুষের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।

৩৪★স্যার পি সি রাম স্বামী আয়ারঃ ইসলামে নিম্নতম মর্যাদার লোকটিও উচ্চতম মর্যাদার লোকটির সমান। ছিন্ন বস্ত্র পরিহিত ভিখারি লোকটি নামাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে আর সুলতান তাকে অনুসরণ করছেন। মোহাম্মদ (সাঃ)-এর ধর্ম ব্যতীত আর কোনো ধর্মই ব্যবহারিক জীবনে এতটুকু উজ্জ্বল হয়ে উঠেনি। জাতির বাতীক, হীনতাবোধের বাতীক, সাদা-বাদামী-কালোর বাতীক থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমি তত্ত্বের আশ্রয় নিতে চাই না। খেদমত চাই ইসলামেই, শুধু এমন কোনো বাতীক নেই।

৩৫★প্রফেসর সাধু টি এল বাম্বনীঃ দুনিয়ার অন্যতম মহত্ত্ব বীর হিসেবে মোহাম্মদ (সাঃ)-কে আমি অভিবাদন জানাই। মোহাম্মদ (সাঃ) এক বিশ্ব শক্তি, মানবজাতির উন্নয়নে এক মহানুভব শক্তি। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করেছিলো কর্ডোভার বৃহত্‍ বিশ্ববিদ্যালয়, যা সুদূর ইউরোপের বিভিন্ন অংশের শিক্ষার্থীকে আকর্ষণ করত, সেই সব শিক্ষার্থীদেরই একজন যথাসময়ে রোমের পোপ হয়েছিলেন।

৩৬★এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটনিকার সুবিজ্ঞ লেখকঃ পৃথিবীর সকল ধর্ম নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাফল্য লাভ করেছেন হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)।

৩৭★ড্রেপারঃ হযরত ছিলেন সেই মানুষ, যিনি মানবসমাজের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছেন।

৩৮★গিবনঃ মোহাম্মদ (সাঃ)-এর মাধ্যমে ইসলামের অভ্যুত্থান পৃথিবীর ইতিহাসে সৃষ্টি করেছিলো এক বিরাট বিপ্লব, মনুষ্য সমাজে যার প্রভাব হয়েছিলো স্থায়ী ও সুদূরপ্রসারী।

৩৯★জোসেফ হেলঃ অতি অল্প সময়ের মধ্যে যিনি আরবের অমানুষগুলোকে জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, শৌর্যে-বীর্যে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত করেছিলেন, তিনি মোহাম্মদ (সাঃ)।

৪০★জন ড্যাভেন পোর্টঃ এতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই যে, সমস্ত আইন প্রণয়নকারী ও বিজয়ীদের মধ্যে একজনও এমন নেই যে, যার জীবনী মোহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবন চরিত্র থেকে অধিক বিস্তৃত ও সত্য। খেজুর আর পানি ছিলো তাঁর চিরাচরিত খাদ্য এবং দুধ ও মধু ছিলো তাঁর বিলাস বস্তু। সফরে বের হতেন যখন, তখন সামান্য খাদ্যের গ্রাস তিনি মুখে তুলতেন পরিচারকের সঙ্গে ভাগ করে।

৪১★লর্ড হেডলীঃ মোহাম্মদ (সাঃ)-এর ধর্মে আছে ঘোঁড়ামী থেকে স্বস্তি ও মুক্তি এবং এতে নেই কোনো অসহিষ্ণুতা। আমার মতে, তা হচ্ছে কৃতজ্ঞতা, বিশ্বাস ও প্রেমের ধর্ম, শান্তির ধর্ম।

৪২★টলস্টয়ঃ আমি মোহাম্মদ (সাঃ) থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তাঁর আবির্ভাবের পূর্বে পৃথিবী ভ্রান্তির আধাঁরে নিমজ্জিত ছিলো। তিনি সেই আধাঁরে আলো হয়ে জ্বলে উঠেছিলেন। আমি বিশ্বাস করতে বাধ্য যে, মোহাম্মদ (সাঃ)-এর তাবলীগ ও হেদায়াত যথার্থ ছিলো। রাশিয়ার এই প্রখ্যাত ঔপন্যাসিকের মৃত্যুর পর পকেটে পাওয়া গিয়েছিলো প্রিয়নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর মহান বাণীসমূহের অনুবাদ 'সেইংস অব মোহাম্মদ'। এই বইখানির সংকলক স্যার আবদুল্লাহ্ সোহরাওয়ার্দী।

৪৩★ডি এস মারাগালিয়থঃ বিকৃত ও ঘৃণ্য লেখক মারাগালিয়থ আত্মতৃপ্তি লাভ করেছে এই বলে যে, মোহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনী লেখকদের সুদীর্ঘ ফিরিস্তি শেষ হওয়া অসম্ভব। ঐসব লেখকদের নামের পাশে নিজের নাম সংযোজিত করা একটি বিরাট সম্মানজনক কাজ।

৪৪★ক্যাডফ্রে হেগেলঃ যীশুকে যখন শুলে চড়ানো হলো, তখন তাঁর অনুসারীরা পালিয়ে গেলো। তাঁদের ধর্ম নেশা ছুটে যায়, নিজেদের মাননীয় নেতাকে মৃত্যুর মুখে ফেলে রেখে পলায়ন করলো। পক্ষান্তরে মোহাম্মদ (সাঃ)-এর অনুগামীরা তাদের উত্‍পীড়িত রাসূল (সাঃ)-এর চতুর্দিকে সমবেত হয়ে তাঁর হেফাজতের জন্য নিজেদের সর্বস্ব বিপদের মুখে নিক্ষেপ করে তাঁকে দুশমনের উপর জয়ী করেছিলো।

৪৫★হোমারটিনঃ দার্শনিক, বাগ্মী, ধর্ম প্রবর্তক, আইন প্রণেতা, সেনানায়ক, মতবাদ বিজয়ী, যুক্তিসঙ্গত ধর্ম মতের সংস্থাপক, মূর্তিবিহীন ধর্মমতের প্রবর্তক, ২০টি পার্থিব সাম্রাজ্য এবং ১টি ধর্ম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, এই ছিলেন মোহাম্মদ (সাঃ)। মানুষের মহত্ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব যাচাই করার জন্য যতগুলো মাপকাঠি রয়েছে, সেগুলো দিয়েও যাচাই করলে তাঁর চাইতে শ্রেষ্ঠ মানুষ আর আছে কি?

৪৬★মেজর এ জি লিয়নার্ডঃ পৃথিবীতে বাস করে যদি কোনো মানুষ আল্লাহকে দেখে থাকেন, বুঝে থাকেন, যদি কোনো মানুষ ভালো ও মহান উদ্দেশ্য নিয়ে স্রষ্টা ও সৃষ্টির সেবায় জীবন উত্‍সর্গ করে থাকেন, তাহলে এটা নিশ্চিত যে, আরবের নবী মোহাম্মদ (সাঃ)-ই সেই ব্যক্তি। তিনি গঠন করেছেন একটি মহান ব্যক্তিত্ব ও একটি সুবিশাল সাম্রাজ্য। তিনি ছিলেন সত্যের জনক। তিনি স্বয়ং ছিলেন সত্য, তাঁর নিজের কাছে, অনুসরণকারীদের কাছে, পরিচিতদের কাছে, কাফের-বেদুঈনসহ সকল মানুষের কাছে, সর্বোপরি মহান আল্লাহ্ তা'আলার কাছে।

৪৭★আলফ্রেড মার্টিনঃ মোহাম্মদ (সাঃ)-এর মতাদর্শ আরবের তত্‍কালীন সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন সাধনে যেভাবে সফলতা লাভ করেছিলো, দুনিয়ার আর কোনো ধর্মীয় ইতিহাসে তার তুলনা চলে না।

৪৮★স্মিথ বাসওয়ার্থঃ কুরআনের মধ্যে আবদ্ধ আধ্যাত্মিকতাপূর্ণ একটি সুচিন্তিত মস্তিষ্ক আল্লাহর প্রেমের নেশায় মগ্ন, কিন্তু তার সঙ্গে মানবিক দৌর্বল্যেরও যোগ আছে। এ দৌর্বল্য থেকে মুক্ত হবার দাবি তিনি কখনো করেননি এবং এটি হচ্ছে মোহাম্মদ (সাঃ)-এর শ্রেষ্ঠত্ব।

৪৯★মাইকেল এইচ হার্টঃ আমি মনে করি জাগতিক এবং ধর্মের এক অভূতপূর্ব সংমিশ্রণের প্রভাবই মোহাম্মদ (সাঃ)-কে মানব ইতিহাসে এক অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্থাপন করেছে।

৫০★ডিনিসন রোজঃ তিনি কখনো মিথ্যা বলেননি বা প্রতারণা করেন নি। তিনি ছিলেন সহজ-সরল ও সত্যবাদী।

৫১★আবদুল মুত্তালিবঃ তাঁকে থাকতে দাও, এই ছেলেই বড় হয়ে এ জাতির নেতা হবে।

৫২★জন ডেভেন পোর্টঃ কোনো ধর্মনেতা বা বিজয়ীর জীবনীই বিস্তৃতি ও ঐতিহাসিকতার দিক দিয়ে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনীর সঙ্গে তুলিত হতে পারে না।

৫৩★মুয়িরঃ

সুদীর্ঘ কুড়ি বছর কাল

দিনের পর দিন

যারা করেছে তাঁকে অত্যাচারে

জর্জরিত

অম্লান বদনে তাঁদেরকে

ক্ষমা করার দৃশ্য দেখে

বিরুদ্ধভাবাপন্ন মুয়ির

বিস্ময়ের সঙ্গে বলেছে,

"এমন মহানুভব ক্ষমা

বিশ্ব কোনো দিন আর দেখে নি।"

৫৪★প্রফেসর ভেস্কট রত্নমঃ মোহাম্মদ (সাঃ)-এর চরিত্র ছিলো সম্পূর্ণ কলঙ্কহীন এবং কতক ক্ষেত্রে যীশু খৃস্টের চেয়েও উন্নত। মোহাম্মদ (সাঃ) কখনো নিজেকে ভগবানের সমান মনে করেন নি। তাঁর অনুসারীরা কখনো একবারের জন্যও বলে না যে, তিনি শুধু একজন মানুষের বেশি আরো কিছু ছিলেন। তাঁরা কখনো তাঁর উপর ঐশী সম্মান আরোপ করে না। শত্রুর প্রতি তিনি ছিলেন সদয়। আল্লাহর নবী মোহাম্মদ (সাঃ) অন্য যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে দুনিয়ায় অধিকতর মঙ্গল করে গেছেন।

৫৫★জন মিল্টনঃ অন্যান্য সকল বিশ্বাসের জরাজীর্ণ অবস্থার ও সৃষ্টিকে স্রষ্টার আসনে স্থাপন করার অভিজ্ঞতা লাভে ইসলাম যদিও যথেষ্ট প্রাচীন, তবুও তার অনুসারীরা কখনো তাদের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার লক্ষ্যকে মানুষের ইন্দ্রিয় ও কল্পনার স্তরে নামিয়ে আনে নি এবং কোনো দৃষ্টিগোচর মূর্তি দ্বারা উপাস্যের জ্ঞানালোকিত ভাবরূপকে কখনো কলঙ্কিত করেনি। তারা ঘোঁড়ামী ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত। আমি বিশ্বাস করি, এক আল্লাহ্ ও আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ হযরত মোহাম্মদ (সাঃ), এই হলো ইসলামীত্বের সহজ ও অপরিবর্তনীয় ঘোষণা।

৫৬★প্রফেসর এল ডি ভি জিনিয়েনীঃ কুরআন হতে পারেনা একজন উম্মী লোকের রচনা, যিনি তাঁর সমস্ত জীবন কাটিয়েছেন বিদ্যা ও ধর্মীয় লোকদের থেকে অনেক দূরে অসংস্কৃত এক সমাজের মধ্যে, সর্বশক্তিমান এক আল্লাহর সাহায্য না পাওয়া পর্যন্ত যিনি অলৌকিক ঘটনা সম্পাদনে অসামর্থ ছিলেন।

৫৭★গুস্তাভ ওয়েলঃ মোহাম্মদ (সাঃ) তাঁর জাতির সম্মুখে স্থাপন করলেন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর চরিত্র ছিলো পবিত্র ও কলঙ্কহীন। তাঁর বাসগৃহ, পোশাক, খাদ্য, সবই ছিলো বিরল সাধারণত্বে বৈশিষ্ট্যময়। সকলের জন্য সব সময়ে তিনি ছিলেন সহজগম্য। অসুস্থদের দেখতে যেতেন তিনি। সকলের জন্য সহানুভূতিতে পূর্ণ থাকত তাঁর মন। তাঁর মন বদান্যতায় ও উদারতায় ছিলো সীমাহীন। সীমাহীন ছিলো মানব সম্প্রদায়ের কল্যাণের জন্য তাঁর উত্‍কন্ঠিত মনোযোগ। সকল অঞ্চল থেকে তাঁর জন্য অসংখ্য উপহার অবিরাম সমর্পিত হওয়া সত্ত্বেও নিজের কাছে রাখতেন খুবই সামান্য এবং সেটাকেও তিনি বিবেচনা করতেন রাষ্ট্রের সম্পত্তি হিসেবে।

৫৮★ষ্টানসীঃ তিনি মোহাম্মদ (সাঃ), কল্পনার অদ্ভূত শক্তিতে হৃদয়ের উচ্চতার অনুভূতির মাধুয্য ও বিশ্বস্ততায় ছিলেন বিশিষ্ট। শিশুদের প্রতি খুবই অনুরাগী ছিলেন তিনি। রাস্তায় দাঁড় করিয়ে তাদের ছোট্ট মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন। জীবনে কখনো তিনি কাউকে আঘাত করেন নি। তিনি কোনো দিন কাউকে অভিশাপ দেন নি। তিনি বলতেন, "অভিশাপ দেয়ার জন্য আমি প্রেরিত হই নি, প্রেরিত হয়েছি মানবজাতির কল্যাণরূপে।" অসুস্থদের তিনি দেখতে যেতেন। কোনো শবযানের সম্মুখীন হলে তিনি অনুগমন করতেন। তাঁর খাদেমেরও খানার দাওয়াত গ্রহণ করতেন। তিনি সেলাই করতেন তাঁর নিজের পোশাক। ছাগলের দুগ্ধ দোহন করতেন। নিজের সেবা নিজেই করতেন। সহজভাবে বর্ণনা করতেন হাদীস। অন্য কারো হাত থেকে কখনো নিজের হাত আগে সরাতেন না। অন্য লোকটির ঘুরে দাঁড়ানোর আগে নিজে কখনো ঘুরে দাঁড়াতেন না। ধর্ম ও সাধুতার প্রচারক হিসেবে মোহাম্মদ (সাঃ) যে রকম শ্রেষ্ঠ ছিলেন, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবেও অনুরূপ শ্রেষ্ঠ ছিলেন।

(ধন্যবাদ)

●মোটা হওয়ার সহজ উপায়ঃ

১। দরকার প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করা।

২। ২ ঘন্টা পর পর খাবার খেতে হবে।

৩। টেনশন মুক্ত থাকুন।

৪। প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে।

৫। ঘুমানোর আগে দুধ ও মধু খান।

৬। ঘুম থেকে উঠে বাদাম ও কিসমিস খান।

৭। প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি খান।

৮। সতেজ ফল-মূল খান।

৯। বেশি বেশি পানি পান করতে হবে।

১০। খাবার ও ঘুমের প্রতি যত্নবান হোন।

●যেসব খাবার খেলে মোটা হওয়া যায়ঃ

১। মাছ।

২। গোশত।

৩। পোলাও।

৪। খিচুড়ি।

৫। তেহারি।

৬। বিরিয়ানি।

৭। স্যুপ।

৮। পিৎজা।

৯। চিকেন ফ্রাই।

১০। দুধ।

১১। দই।

১২। ছানা।

১৩। ফল।

১৪। ভাত।

১৫। রুটি।

১৬। ডিম।

১৭। ডাল।

১৮। আলু।

১৯। কিসমিস।

২০। পেস্তা।

২১। চকলেট।

২২। আইসক্রিম।

২৩। বার্গার।

২৪। পাউরুটি।

২৫। ফলের রস।

২৬। মাখন।

২৭। ঘি।

২৮। খেঁজুর।

২৯। আম।

৩০। কাঁঠাল।

৩১। লিচু।

৩২। কলা।

৩৩। পাকা পেঁপে।

৩৪। মিষ্টি কুমড়া।

৩৫। মিষ্টি আলু।

৩৬। কাঁচা কলা।

৩৭। ভাতের মাড়।

৩৮। পানি।

(ধন্যবাদ)

কি খাবার খেলে মোটা হোওয়া যাবে?

BadshahNiazul
Mar 14, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

●মোটা হওয়ার সহজ উপায়ঃ

১। দরকার প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করা।

২। ২ ঘন্টা পর পর বেশি করে খাবার খেতে হবে।

৩। টেনশন মুক্ত থাকুন।

৪। প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে।

৫। ঘুমানোর আগে দুধ ও মধু খান।

৬। ঘুম থেকে উঠে বাদাম ও কিসমিস খান।

৭। প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি খান।

৮। সতেজ ফল-মূল খান।

৯। বেশি বেশি পানি পান করতে হবে।

১০। খাবার ও ঘুমের প্রতি যত্নবান হতে হবে।

●যেসব খাবার খেলে মোটা হওয়া যায়ঃ

১। মাছ।

২। গোশত।

৩। পোলাও।

৪। খিচুড়ি।

৫। তেহারি।

৬। বিরিয়ানি।

৭। স্যুপ।

৮। পিৎজা।

৯। চিকেন ফ্রাই।

১০। দুধ।

১১। দই।

১২। ছানা।

১৩। ফল।

১৪। ভাত।

১৫। রুটি।

১৬। ডিম।

১৭। ডাল।

১৮। আলু।

১৯। কিসমিস।

২০। পেস্তা।

২১। চকলেট।

২২। আইসক্রিম।

২৩। বার্গার।

২৪। পাউরুটি।

২৫। ফলের রস।

২৬। মাখন।

২৭। ঘি।

২৮। খেঁজুর।

২৯। আম।

৩০। কাঁঠাল।

৩১। লিচু।

৩২। কলা।

৩৩। পাকা পেঁপে।

৩৪। মিষ্টি কুমড়া।

৩৫। মিষ্টি আলু।

৩৬। কাঁচা কলা।

৩৭। ভাতের মাড়।

৩৮। পানি।

(ধন্যবাদ)

  • বাংলাদেশঃ
     
  1. প্রাচুর্যময় স্বর্গ।
     
  2. চিরসবুজের দেশ।
     
  3. স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ।
     
  4. সাংবিধানিক দেশ।
     
  5. গণতান্ত্রিক দেশ।
     
  6. উন্নয়নশীল দেশ।
     
  7. মধ‍্যম আয়ের দেশ।
     
  8. নদীপ্রধান দেশ।
     
  9. কৃষিপ্রধান দেশ।
     
  10. ভাত ও মাছ প্রধান দেশ।
     
  11. 'সোনালী আঁশ' পাটের দেশ।
     
  12. সোনালী ফসলের দেশ।
  13. রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেশ।
     
  14. বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপের দেশ।
     
  15. বিশ্বের বৃহত্তম উপকূলীয় বন সুন্দরবনের দেশ।
     
  16. বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের দেশ।
     
  17. বিশ্বের বৃহত্তম ফল কাঁঠালের দেশ।
     
  18. বিশ্বের একমাত্র ষড়ঋতুর দেশ।
  19. বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।
     
  20. জনসংখ‍্যায় বিশ্বে অষ্টম বৃহত্তম দেশ।
     
  21. আয়তনে বিশ্বে ৯৪ তম দেশ।
     
  22. বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের দেশ।
     
  23. ৩৬০ আউলিয়ার দেশ।
     
  24. বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ।
     
  25. মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি রক্ষার্থে জীবনদানকারী একমাত্র জাতির দেশ।
     
  26. তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে শিল্পোন্নত দেশ।
     
  27. তৎকালীন বিশ্বে 'জান্নাতুল বালাদ' বা 'দুনিয়ার জান্নাত' খেতাবপ্রাপ্ত দেশ।
     
  28. লাখো শহীদের দেশ।
  29. নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার দেশ।
  30. অতিথিপরায়ণ দেশ।
  31. মসজিদের দেশ।
  32. ভ্রাতৃত্বের দেশ।
  33. বন্ধুপ্রতিম দেশ।
  34. কোটি জনতার মাতৃভূমি, পিতৃভূমি ও জন্মভূমির দেশ।
  35. লাল সবুজের দেশ ইত্যাদি।
  • (ধন্যবাদ)

আখরোট কী? আখরোটের পুষ্টিগুণগুলো কী কী?

BadshahNiazul
Mar 13, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

✔আখরোটঃ একপ্রকার বাদাম জাতীয় ফল। এই ফল অত্যন্ত পুষ্টিকর যাতে প্রচুর আমিষ এবং অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি আসিড আছে। এই ফলটি গোলাকার এবং ভেতরে একটি বীজ থাকে। পাকা ফলের বাইরের খোসা ফেলে দিলে ভেতরের শক্ত খোলসযুক্ত বীজটি পাওয়া যায়; এই খোলসের ভেতরে থাকে দুইভাগে বিভক্ত বাদাম যাতে বাদামি রঙের আবরন থাকে যা এন্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এই এন্টিঅক্সিডেন্ট তৈলাক্ত বীজকে বাতাসের অক্সিজেন থেকে রক্ষা করে ফলে তা খাওয়ার উপযোগী থাকে।

✔পুষ্টিগুণঃ আখরোট অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বাদাম। প্রতি ১০০ গ্রাম আখরোটে ১৫.২ গ্রাম আমিষ, ৬৫.২ গ্রাম ফ্যাট এবং ৬.৭ গ্রাম ফাইবার থাকে। এর আমিষে অনেকগুলো অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড থাকে।

https://bn.m.wikipedia.org/wiki/আখরোট

আখরোট কী? আখরোটের পুষ্টিগুণগুলো কী কী?

BadshahNiazul
Mar 13, 2020-এ প্রশ্ন করেছেন

যেসব খাবারে ক্যালসিয়াম রয়েছেঃ

দুধ।

দই।

পনির।

ভাজা তিলের বীচি।

বাঁধাকপি।

লেটুস পাতা।

শালগম।

কাঠ বাদাম।

কাঁচা বাদাম।

সয়াবিন।

আখরোট।

কচুশাক।

সজনে পাতা।

পুদিনা পাতা।

সরিষা শাক।

কুমড়ার বীজ।

সূর্যমুখীর বীজ।

ডুমুর ইত্যাদি। ধন্যবাদ।

এসএসসি পরীক্ষার কৃষিশিক্ষার প্রশ্ন?

BadshahNiazul
Feb 13, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন
  • বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরঃ
১। নিচের কোনটি ত্রিফলা?
উত্তরঃ (খ) আমলকি, হরিতকি ও বহেরা।
২। মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
উত্তরঃ (ক) ৩য়।


  • চুল ঘন করার ঘরোয়া উপায়ঃ
  1. সপ্তাহে একদিন নিমপাতা বেটে চুলে লাগাবেন। তারপর ঘন্টাখানেক পর তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এতে চুল ঘন, নরম ও কোমল হবে।
  2. রাতে ঘুমানোর সময় চুলে পেঁয়াজের রস মেখে ঘুমাবেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠে তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এতে নতুন চুল গজাবে ও চুল ঘন হবে।
  3. সপ্তাহে একদিন পেয়ারা পাতা বেটে চুলে লাগাবেন‌। ঘন্টাখানেক পর তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এতে চুল ঘন হবে এবং স্থায়ী খুশকি দূর হবে।
  4. নিয়মিত আমলকি খান।
  5. গাজর, চিংড়ি, ডিম ও দুধ চুুুলের জন্য উপকারী খাবার। 
  6. কোনো শ‍্যাম্পু, জেল, ঔষধ কিংবা নিম্নমানের তেল ব‍্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
  7. কালোজিরার তেল, জলপাইয়ের তেল, নারিকেল তেল বা আমলকির তেলের ব‍্যবহার চুলের জন‍্য অত‍্যন্ত উপকারী।
  8. প্রতিদিন গোসলের সময় চুলকে ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।
  9. চুলের প্রতি বিশেষভাবে যত্নবান হোন। আর চুলকে করে তুলুন ঘন ও লাবণ‍্যময়। ভালো থাকবেন। ধন‍্যবাদ।


  • চুলের খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়ঃ
  1. সপ্তাহে একদিন পেয়ারা পাতা বেটে চুলে লাগাবেন‌। ঘন্টাখানেক পর তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এতে চুল পড়া কমবে এবং স্থায়ী খুশকি দূর হবে।
  2. কোনো শ‍্যাম্পু, জেল, ঔষধ কিংবা নিম্নমানের তেল ব‍্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
  3. কালোজিরার তেল, জলপাইয়ের তেল, নারিকেল তেল বা আমলকির তেলের ব‍্যবহার চুলের জন‍্য অত‍্যন্ত উপকারী।
  4. প্রতিদিন গোসলের সময় চুলকে ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।
  5. চুলের প্রতি বিশেষভাবে যত্নবান হোন। আর চুলকে করে তুলুন খুশকিমুক্ত ও লাবণ‍্যময়। ভালো থাকবেন। ধন‍্যবাদ।
এই একটি রিপোর্টের জন্য ফেইসবুক কখনো আপনার পেজ বন্ধ বা ডিলিট করবে না। ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, যদি বারবার এসব রিপোর্টের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তাহলে তারা পেজ বন্ধ বা ডিলিট করে দিতে পারেন। তাই এমন পোস্ট কখনো করা যাবে না, যেটি ফেইসবুকে কোনো রকম সংঘাত সৃষ্টি করে বা ফেইসবুকের নীতিমালা বিরোধী। ধন্যবাদ।

ভগবান শব্দের অর্থ কী?

BadshahNiazul
Feb 1, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন
  • 'ভগবান' শব্দের অর্থঃ
  1. পরমেশ্বর।
  2. পূজ্য।
  • ভগবানঃ হিন্দু ধর্মমতে, যিনি ষড়গুণের (ঐশ্বৰ্য, বীর্য, যশ, শ্ৰী, জ্ঞান ও বৈরাগ্য) অধিকারী, তাকে ভগবান বা পরমেশ্বর বলে। ধন্যবাদ।
মেয়ের জামাই তথা জামাতার নাম 'বাদল'।

Loading...