সকালে ঘুম থেকে উঠে খুব বমি বমি লাগে কখনো আবার বমি হয়ে যা। আর মুখ দিয়ে থুতু/কফ আসতে থাকে এই সমস্যা অনেক ভোগাচ্ছে ভাল হওয়ার উপায় কি। এরকম আমার ৩-৪ মাস পর পর হটাৎ কয়দিন এমন হয়।       
3069 views

2 Answers

অতিরিক্ত ক্লান্তি গতি অসুস্থতা বা মোশন সিকনেস যেকোন শারীরিক ব্যথা মাইগ্রেইনের ব্যথা অতিরিক্ত ধূমপান বদহজম ইত্যাদি কারণে সকালে বমি ভাব হতে পারে। রান্নাঘরে টুকিটাকি দিয়ে এই বমি বমি ভাব দূর করা সম্ভব। ১। আদাঃ দ্রুত বমি বমি ভাব দূর করতে আদা বেশ কার্যকরী উপাদান। এক টুকরা আদা আপনি আপনার চায়ের সাথে খান, এটি দ্রুত বমি বমি ভাব দূর করে দেবে। আদা হজমের সমস্যা দূর করে পাকস্থলিতে একটি শীতল অনুভূতি প্রদান করে থাকে। ১ টেবিল চামচ আদার রস, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং ১/৪ টেবিল চাচম বেকিং সোডা মিশিয়ে খান এটিও বমি বমিভাব দূর করতে সাহায্য করবে। ২। লেবুঃ খুব সহজ এবং সস্তা একটি উপায় হল লেবু। এক টুকরো লেবু মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ চুষে নিন। এছাড়া এক গ্লাস পানিতে এক টুকরো লেবুর রস, এক চিমটি লবণ গুলিয়ে পান করুন। এটি দ্রুত বমি বমি ভাব দূর করে দিবে। এক টুকরো লেবু নাকের কাছে নিয়ে কিছুক্ষণ শুঁকে দেখতে পারেন, এটিও আপনার খারাপ লাগা কমিয়ে দেবে। ৩। জিরাঃ জিরা আরেকটি উপাদান যা আপনার বমি বমি ভাব নিমিষে দূর করে দিবে। কিছু পরিমাণ জিরা গুঁড়ো করে নিন, তারপর সেটি খেয়ে ফেলুন। এক সেকেন্ডে আপনার বমি বমি ভাব দূর হয়ে যাবে। ৪। ভাতের পানিঃ শুনে অবাক লাগলেও, ভাতের পানি আপনার বমি বমি ভাব দ্রুত দূর করে থাকে। এক কাপ পানিতে কিছু চাল দিয়েই ১৫-২০ মিনিট সিদ্ধ করে নিন। এবার পানি ছেঁকে নিন এবং এটি আস্তে আস্তে পান করুন। ৫। লবঙ্গঃ ১ চা চামচ লবঙ্গের গুঁড়ো ১ কাপ পানিতে ৫ মিনিট সিদ্ধ করুন। ঠান্ডা হয়ে গেলে আস্তে আস্তে এটি পান করুন। আপনার যদি এর স্বাদ কটু লাগে তবে এর সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এছাড়া ১-২ টি লবঙ্গ কিছুক্ষণ চিবান, এটি সাথে সাথে বমি বমি ভাব দূর করে দেবে। মোসন সিকনেসের সমস্যা থাকলে সাথে সমসময় লেবু বা লবঙ্গ সাথে রাখুন। পথে বমি বমি লাগলে সাথে সাথে মুখে লেবু বা লবঙ্গ দিয়ে দিন। 

আশা করি উপকার পাবেন। 

3069 views

এই সমস্যাটি অনেক কারণেই হতে পারে। বেশি সম্ভাবনা আছে পানিশূন্যতা হবার। শরীর যখন অতিরিক্ত ফ্লুইড হারায় তখনই এই সমস্যাটি হতেপারে।এছাড়া হজমে সমস্যা,পাকস্থলির সংক্রমণ এর কারণেও হতেপারে।অল্প পরিমাণে পানি, স্পর্ট ড্রিংক্স, বিশুদ্ধ লিকুইড পান করুন, রুটি বা পাউরুটি, বিস্কুট এর মত হালকা, সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করুন। সহজে হজম হয় না এমন খাবার পরিহার করুন।লেবুর শরবত খাবেন কমপক্ষে ২ গ্লাস (ভরপেট খাবারের পর খেলে উত্তম)।পুষ্টিকর খাবার খাবেন,ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালিপেটে জল পান করবেন।

3069 views

Related Questions