বর্তমান সময় টা আমরা যারা প্যাটিসিং মুসলিম তাদের জন্য খুব বাজে একটা সময়,,,এই সময় নিজেকে কন্ট্রল করে রাখা বেশ মুশকিল। বর্তমানে আমার প্রধান সমস্যা হচ্ছে নামায এর রাকাত সংখ্যা নিয়। আমি জানতে চাই আমাদের নবীজি প্রতি ওয়াক্তে কত রাকাত নামায আদায় করতেন এবং সে গুলা কী কী।
2772 views

1 Answers

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর নিকট থেকে যেভাবে হুকুম পেয়েছেন আমাদের সেই ভাবেই তাগিদ দিয়েছেন। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্তে সতেরো রাকাত ফরজ নামাজ, তিন রাকাত ওয়াজিব বিতর নামাজ, চার ওয়াক্তে বারো রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজ, দুই ওয়াক্তে আট রাকাত সুন্নতে জায়েদা নামাজ ছাড়া অন্যান্য নামাজ হলো নফল নামাজ। নফল নামাজের মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত হলো নির্ধারিত নফল নামাজ। এছাড়া তাহাজ্জুদ নামাজ, ইশরাক নামাজ, চাশত নামাজ, জাওয়াল নামাজ, আউওয়াবিন নামাজ। এ ছাড়া রয়েছে আরও কিছু অনির্ধারিত নফল নামাজ। ফরজ ও ওয়াজিব নামাজ ছাড়া বাকি সব নামাজকেই নফল নামাজ বলা হয়। যেগুলি সহিহ হাদিসে প্রমাণিত। ফজরের নামাজ মোট চার রাকাত। প্রথমে দুই রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা। অতঃপর দুই রাকাত ফরজ। যোহরের নামাজ মোট দশ রাকাত। প্রথমে চার রাকাত সুন্নত, তারপর চার রাকাত ফরজ এবং সবশেষে দুই রাকাত সুন্নত। আসরের নামাজ মোট আট রাকাত। প্রথমে চার রাকাত সুন্নতে জায়েদা (অনাবশ্যক) অতঃপর চার রাকাত ফরজ। মাগরিবের নামাজ মোট পাঁচ রাকাত। প্রথমে তিন রাকাত ফরজ। অতঃপর দুই রাকাত সুন্নত। ইশার নামাজ মোট দশ রাকাত। প্রথমে চার রাকাত সুন্নতে জায়েদা (অনাবশ্যক), চার রাকাত ফরজ এবং সবশেষে দুই রাকাত সুন্নত। এছাড়াও তিন রাকাত বিতরের ওয়াজিব নামাজ ইশার দুই রাকাত সুন্নত নামাজের পরেই আদায় করে নেওয়া যায়। যোহর, মাগরিব এশার নামাজের সাথে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা যায়। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময়ে নফল নামাজ আদায় করাছেন।

2772 views

Related Questions