আমার বয়স ১৭ ।এই বয়সে আমি খুবই চিকন । দেখতে অনেক খারাপ লাগে?
6 Answers
আপনি ডিটামিন যুক্ত খাবার ও সুষম খাদ্য বেশি করে খান। তাহলে আপনি চিকন থেকে মোট হতে পারবেন।আপনার শরীর খারাপ ককম হবে। এতদিন আপনার শরীর খারাপ ছিল কারন আপনি চিকন ছিলেন এজন্য শরীর এর শক্তি ছিল না। তাই আপনার অনেক শরীর খারাপ থাকতো।
১.সকালে উঠে বাদাম ও কিসমিস
ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় অল্প জলে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন ৷সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন।
২.খান প্রচুর শাক সবজি ও ফল
ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে। যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন।
৩.খাবারের পরিমাণ বাড়ান খাবারের
পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন।
৪.বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন
অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে।
৫.খাদ্য তালিকায় রাখুন
ডুবো তেলে ভাজা খাবার ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির স্যালাড।
৬.জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন
ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সাথে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো বটেই, তাছাড়া ব্যায়ামের ফলে খিদেও পাবে আর মন ভরে খেতে পারবেন। তবে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ট্রেনারের নির্দেশে ব্যায়াম করতে হবে। নাহলে হিতে বিপরীত হবার আশঙ্কা।
৭.খান “ফ্যান” ভাত-
অধিকাংশ মানুষই ভাতের ফ্যান ফেলে দেয়৷ ফ্যান ফেলে দিয়ে ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায় ফ্যানের সঙ্গে। ওজন বাড়াতে চাইলে ভাতের ফ্যান না ফেলাই ভালো। এর ফলে ভীষণ উপকার হবে ওজন বাড়াতে। আতপ চালের ফ্যান ভাত মজাও লাগবে খেতে।
৮. ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু
ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন।
৯. কমান মেটাবলিজম হার
মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনও কাজ করবেন না।
১০. খাদ্য তালিকায় যোগ করুন কিছু বিশেষ খাবার
আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি।
এরপরেও যদি ওজন না বাড়ে তাহলে চিকিৎকের সাহায্যে শরীর পরীক্ষা করে যদি কোন রোগ পাওয়া যায়, তার চিকিত্সা করাতে হবে।
আপনি মোটা হতে- *প্রথমে বদ অভ্যাগ থাকলে ত্যাগ করতে হবে (নেশা জাতীয় দ্রব্য,হস্তমৈথুন,টেনশন,রাতজাগা] *নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার যেমন দুধ,ডিম,মাছ,মাংস,শাকসবজি ফলমুল ইত্যাদি *খাবার পরিমান বাড়ান অথাৎ ৩ বেলার জায়গায় অল্প করে হলেও ৭/৮ বার খাবেন। *সর্বদা অধিক ক্যালরি গ্রহন করবেন। *পাশাপাশি ব্যায়ম ও পর্যাপ্ত ঘুমাবেন। *সিনকারা সিরাপটি খেতে পারেন এতেও উপকার পাবেন।
নিয়মিত পুষ্টিসমৃদ্ধ শর্করা জাতীয় খাবার খান এবং শারীরিক পরিশ্রম কম করেন। দেখবেন কয়েকদিনের মধ্যে আপনার ওজন বেড়ে যাবে।
কোনো ঔষধ খাওয়া বা ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। খাবারের প্রতি যত্নবান হলে, এমনিতেই মোটা হয়ে যাবেন। খাদ্য হিসেবে ধনেপাতা ও শসাকে পরিহার করতে হবে। কেননা, এ দুটি খাদ্য আপনাকে মোটা করার বদলে চিকন করে ফেলবে। নিম্নলিখিত খাবারগুলো খেলে আপনার মোটা হওয়ার অপার সম্ভাবনা রয়েছে:
১। গরুর গোশত
- যেমন,আপনি একবারে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমানে বারে বারে খেতে পারেন I
- ভাত, আলু এবং রুটি বেশি খেতে পারেন I
- প্রতিদিন ডিম এবং দুধ খেতে হবে I
- প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে I
- Protein জাতীয় খাবার শাকসব্জি, মুরগি এবং মাছ খেতে হবে I
- সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন নিয়মিত exercise করতে হবে I
- রাতে ৮ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো উচিত