4 Answers

যখন কাপড়ের মধ্যে কোনো নাপাকি লাগবে, তখনই উক্ত কাপড় দিয়ে নামায পড়া যায় না। যেমন:-

  1. কাপড়ে প্রস্রাব-পায়খানা লাগলে।
  2. কাপড়ে বীর্য লাগলে।
  3. কাপড়ে কুকুরের মুখের লালা লাগলে।
  4. বমি কাপড়ে লাগলে।


এভাবে যত ধরণের নাপাকি লাগবে, তখনই কাপড় (যে জায়গায় নাপাক লেগেছে) নাপাক হবে। আর, তা দিয়ে নামায পড়া যাবে না। যদি ধৌত করা না হয়।

2906 views Answered

পায়খানার ছিটা পড়লে বা পর্শ্বাবের ছিটা পড়লে কাপড় অপবিত্র হয়।তাছাড়া কাপড়ে বমি বরলেও কাপড় অপবিত্র হয়।

2906 views Answered

একথায় সকল নাপকীয় জিনিস কাপরে ভরলে কাপর অপবিত্র হয়।

2906 views Answered

যে সমস্ত নাপাকী চক্ষু দ্বারা দেখা যায়, এবং যা থেকে শরীর, কাপড় ও খাদ্যবস্তু পাক রাখা উচিত তা দুই প্রকারের। (১) নাজাসাতে গলীজা বা শক্ত নাপাক। এ নাপাকের হুকুম শক্ত। (২) নাজাসাতে খফীফা বা হালকা নাপাক। এ প্রকার নাপাকের হুকুম হালকা। নাজাসাতে গলীজা বা শক্ত নাপাক কোন কারণে কাপড়ে লাগলে তা অপবিত্র হয়, তখন এই কাপড় পড়ে নামাজ পড়া যায়না। তা হলো মানুষের পেশাব, পায়খানা, বীর্য, প্রশ্রাবের দ্বার দিয়ে নির্গত যে কোন তরল বস্তু, সকল পশুর বীর্য এবং ছোট ছেলেমেয়েদের পেশাব-পায়খানা। মানুষ অথবা পশুর রক্ত। বমি যে কোন বয়সের মানুষের হোক। মেয়েদের প্রস্রাবের দ্বার দিয়ে নির্গত রক্ত। মেয়েদের প্রস্রাবের দ্বার দিয়ে নির্গত কোন তরল পদার্থ। ক্ষতস্থান থেকে নির্গত পূঁজ, রস অথবা অন্য কোন তরল পদার্থ। যে সব পশুর ঝুটা নাপাক তাদের ঘাম ও লালা। যবেহ করা ব্যতীত যে সব পশু মারা গেছে তাদের গোশত, চর্বি ইত্যাদি নাজাসাতে গালিযা। হারাম পশুর-জীবিত অথবা মৃত-দুধ এবং মৃত পশুর (হালাল অথবা হারাম) দুধ।

2906 views Answered

Related Questions

Next steps