আমার একা নির্জনে নামাজ পড়তে, জিকির করতে ,ভালো লাগে কিন্তু মসজিদে যেতে ইচ্ছা হয় না ।এটা ভালো নাকি খারাপ?
6 Answers
এটা ভাল ব্যাক্তিগত এবাদতের ক্ষেত্রে।তবে জামাতের নামাজ কখনই বাদ দিবেন না। একাকী পড়ার এই মনোভাব আপনার নফল ইবাদতে কাজে লাগান।দুনিয়া ও আখিরাতে অনেক উপকৃত হবেন।
আপনি জিকির নির্জনে করলে সমস্যা নেই তবে নামাজ মসজিদেই পড়তে হবে আপনার মসজিদে যেতে ইচ্ছে করে না এটা খুবই খারাপ কথা আপনার এই মনভাব পাল্টাতে হবে মসজিদ হলো আল্লাহর ঘর আপনি মসজিদে গিয়েই নামাজ পড়তে হবে তাছাড়া কোন উপায় নেই
একাকী ইবাদত করা অবশ্য ভালো। তবে ৫ ওয়াক্ত নামায আপনাকে মসজিদে গিয়ে পড়তে হবে। কেননা, পুরুষদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামা'য়াতে নামায পড়া সুন্নাতে মু'য়াক্কাদা। যা ইচ্ছায় তরক করলে গোনাহ হয়।
এ জন্য আপনি শুধু ৫ ওয়াক্ত নামায মসজিদে গিয়ে পড়বেন। আর, বাকি সময় একাকী ইবাদত করতে পারবেন।
এতে আপনার গুনাহ হবে না।সওয়াব পাবেন।তবে যতটুকু সওয়াব পাবেন তার থেকে ২৭গুণ বেশি সওয়াব পাবেন মসজিদে নামাজ করে।তাছাড়া মসজিদ হলো আল্লাহর ঘর।একাকী আল্লাহর ইবাদত করার চেয়ে মসজিদে গিয়ে পড়ুন।তাতে রহমত বেশি পাবেন।সওয়াবও বেশি পাবেন।
আপনি একা একা জিকির করতে পারেন এবং নামাজ ও পরতে পারবেন, তবে সেটা নফল নামাজ হলে ভালো তবে সবসময় চেষ্টা করবেন, প্রতি ওয়াক্তে ফরজ নামাজ মসজিদে গিয়ে জামাতে সবার সাথে আদায় করার
বেশ কয়েক বছর আগের কথা। জুমুআর নামাজের বয়ান শুনছি। ইমাম সাহেব আলোচনা করছেন মসজিদে বেশি সময় কাটানো প্রসঙ্গে।
তো নানা রকম গুরুত্ব, সওয়াব, ফজিলত ইত্যাদি অনেক কিছুই তিনি বলেছিলেন। স্পষ্ট করে আমার কোনটাই মনে নেই। তবে যেটা মনে আছে সেটা হল যখন একজন বান্দা মসজিদে প্রবেশ করে তখন আল্লাহ তার গুনাহ সমূহ একজন ফেরেশতার কাধে ন্যস্ত করেন। সে যতক্ষণ না বের হবে ততক্ষণ ঐ গুনাহগুলো সেই ফেরেশতাকে কাধে নিয়ে থাকতে হবে। এখন ঐ বান্দা যদি আল্লাহ্র ঘর মসজিদে বেশি সময় অতিবাহিত করে তাহলে ফেরেশতাটি আল্লাহ পাক কে বলেন হে আল্লাহ তোমার বান্দার গুনাহর ওজন এত বেশি যে আমি আর সহ্য করতে পারছি না। তখন আল্লাহ বলেন তাহলে এগুলো সমুদ্রে ফেলে আস!
অর্থাৎ আপনার গুনাহ মওকুফ করার একটা ভাল সুযোগ হল মসজিদে সময় কাটানো। এ সুযোগ কেন মিস করবেন?!
(বহুদিন আগে শুনেছি। কিছু এদিক সেদিক হলে ক্ষমা করে ভুলটা ধরিয়ে দিবেন)
এবার আমার যুক্তিতে আসি। মসজিদ কি? আল্লাহর ঘর। আমাদের ইবাদাত করার স্থান। এখানে যদি আপনার যেতে অনীহা হয় তাহলে সেটা ইবলিশ শয়তানের ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই না ! হয়তো আপনি মনে করবেন আমি ঘরে বসে সব করে ফেলব। কিন্ত একসময় আপনি ইমান আমল থেকে দূরে সরে যাবার সমূহ সম্ভাবনা আছে। তাছাড়া মহিলাদের জন্য ঘর উত্তম। পুরুষের জন্য মসজিদ।
ঘরে যত খুশি ইবাদাত করুন। কিন্তু মসজিদের প্রতি বিমুখ হওয়া যাবে না। মসজিদে যাবেন অন্যান্য মুসল্লিদের সাথে দেখা হবে জামাতের সাথে নামাজ পড়বেন এটাই ইসলামী বিধান। ধন্যবাদ।