4 Answers
না।মেয়েরা পুরুষদের সাথে মসজিদে নামাজ করতে পারবে না।..মেয়েদের কে অন্য পুরুষের আড়ালে নামাজ পড়তে হয়।
ইসলামী বিধিবিধান অনুযায়ী নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই নামাজ সমানভাবে ফরজ করা হয়েছে । তবে আদায়ের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কিছুকিছু আলাদা নিয়ম বা পদ্ধতি রয়েছে। বিশেষ করে পুরুষরা জামায়াতে সালাত আদায় করবে আর এক্ষেত্রে নারীদের জামায়াত কিরুপ হবে বা জামায়াতে নামাজ আদায় করতে হবে কিনা এ নিয়ে ইসলামী চিন্তাবিদদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। মহিলাদের জামায়াতের হুকুমঃ- ইসলামের প্রাথমিক যুগে পুরুষের সাথে নারীদেরও জামায়াতে সালাত হুকুম ছিলো । কিন্তু পরবর্তীতে ইসলামের প্রসারের সাথে সাথে এবং কালের বিবর্তনে এ বিধানটি দুর্বল হতে থাকে । মাসাআলাটি নিয়ে ইমামদের মাঝে মতভেদ রয়েছে । যেমন- ১। সাহেবাইনগণ এ ব্যাপারে বলেন , মহিলারা জামায়াতের শেষ কাতারে দাড়িয়ে নামাজ আদায় করবেন । এভাবে তারা ঈদের নামাজও আদায় করতে পারেন। ২। কোন কোন ইমাম এ ব্যাপারে বলেন, যুবতী নারীদের জামাতে নামাজ আদায় করা মাকরুহ । তবে বৃদ্ধ মহিলাদের জামায়াতে নামাজ আদায় করতে কোন সমস্যা নেই । ৩। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, পুরুষের পাশে দাঁড়িয়ে মহিলা নামাজ আদায় করলে নামাজ হবেনা তবে এক্ষেত্রে পুরুষের নামাজ হবে । কিন্তু মহিলার নামাজ হবে না । ৪। কারো কারো মতে, কোন বয়স্কা মহিলা কোন পুরুষের পাশে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করা শরিয়ত সম্মত নয় । পরিশেষে বলা যায় যে, একসাথে একই কাতারে মহিলা ও পুরুষ জামাতে নামাজ আদায় করা বর্তমানে ফেতনার সমাজে সম্ভব নয়। তবে আলাদা ব্যবস্থাপনায় জামায়াতে নারী পুরুষ নামাজ আদায় করতে পারে সতর্কমুলক ভাবে। তবে বর্তমান সময় অনুযায়ী জামায়াতে নারী পুরুষ নামাজ আদায় না করে তাদের ঘড়ে একাকি পড়াই উত্তম।
মেয়েরা মসজিদ বা যে কোনো জায়গায় পুরুষের সাথে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে পারবে না। তাদের কাতার ভিন্ন হতে হবে। উপরন্তু মেয়েদের জন্য মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করা একটি অনুত্তম কাজ। হাদীসে স্পষ্ট এসেছে, মেয়েদের জন্য তাদের ঘরে নামাজ আদায় করা উত্তম। সুতরাং তাদের জন্য মসজিদে যাওয়াই উচিত নয়।