অতিরিক্ত ঘুমের হাত থেকে কিভাবে মুক্তি পাব?
7 Answers
ঘুম থেকে সম্পূর্ণ পরিত্রান পাওয়া অসম্ভব, কারন এটা প্রাকৃতিক নিয়মে আশবেই, কিন্ত কিছুটা নিয়নত্রন করা যায়, নিয়নত্রনের ঐ সময়টাতে চা কফি খেতে পারেন, চা কফি না হলে গোল মরিচ বা লবঙ্গ খেতে পারেন। আর ঘুম আশার জন্য লাইটিং ও একটা বড় ফ্যাক্ট, অফ হোয়াইট বা গোল্ডেন কালারে কিছুটা ঘুম আশে কিন্ত সাদা বা হালকা সবুজ কালার কিছুটা ঘুম নিয়নত্রন করে । (অবশ্যই পর্যাপ্ত আলো থাকতে হবে। ধন্যবাদ। বানানে ভুল হলে ক্ষমা করবেন, এর চাইতে ভালো তথ্য থাকলে তাকে অগ্রীম ধন্যবাদ ।
পরিশ্রম করলে ঘুম আসে,সেটা কায়িক বা মানসিক যাই হোক না কেন।যেহেতু পড়ালেখা করেন তাই মানসিক শ্রম হয়।তবুও কিছু উপায় আছে ঘুম কমানোর। নিচের টিপস গুলো মেনে চলে দেখেন,
১। দুপুরে ঘুমে মরে গেলেও ঘুমাবেন না ।
২। রাতের ঘুমটা ভালোমতঘুমানোর চেষ্টা করুন।
৩। সারাদিন অল্প অল্প করে চার থেকে পাচবার খাবেন, হেভি মিল ঘুম বাড়ায়। হেভি মিল সম্পূর্ণ রুপে বর্জন করুন।
৪। লাল মাংশ, মিষ্টি,ভাত,আম -এগুলো ঘুম বাড়ায়-যথাসম্ভব এভয়েড করুন।
৫। শুয়ে শুয়ে বই পড়ার অভ্যাস বাদ দিন।
৬। রেগুলার আধাঘন্টা ব্যায়াম করুন -ঘুমানোর আগে-নিদেনপক্ষে হাটুন।
৭। নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন করুন।
সবচে বেশী জরুরী হলো মনের জোড় । will power টাকে খুব তীব্র করুন। আর যা-ই হোক ছয় ঘণ্টার কম ঘুম ভুলেও ঘুমাবেন। আপনার সুস্থতা কামনা করছি
পরীক্ষার সময় ঘুম বেশি আসে এটা অামি মনে করি বেশিরভাগ ছাত্রের ঘটে থাকে। যাহোক এটা পরীক্ষার জন্য মোটেও ভাল নয়। তবে ঘুম আসলে একটু হাটা হাটি করুন, পড়ায় বিরতি দিন, এবং পড়ার ফাকে নাস্তা বা চা কফি পান করুন দেখবেন ঘুমের প্রকোপ কমে যাবে। আর হ্যা পরীক্ষার আগের রাতে অবশ্যই তারাতারি ঘুমোতে যাবেন।
পড়তে বসলে যদি ঘুম পায় তাহলে দাড়িয়ে পড়ুন তবু যদি ঘুম পায় তাহলে হাটুন কিন্তু রুমের বাহিরে যাবেন না এতে পড়ায় মনোযোগ নষ্ট হতে পারে। রাত জেগে পড়ার জন্য ঘন্টা খানেক পর পর চা কফি খেতে পারেন। এভাবে নিয়মিত প্রাকটিস করুন। অবশ্যই রাত জেগে পড়তে পারবেন।ধন্যবাদ।
যেহেতু পড়তে বসলে ঘুম ধরে তাই প্রথমে *বসার জায়গা ঠিক করুন এক্ষেত্রে কাঠের চেয়ার ব্যবহার করুন *পড়া শুরুর আগে চোখেমুখে পানি দিয়ে ফ্রেস হোন *এর পরও ঘুম আসতে চাইলে ঝাল জাতীয় জানিস খান *মাঝে মধ্যে বাইরে হেটে আসতে পারেন **আশা করি এভাবে কিছুদিন চললে ঠিক হয়ে যাবে
এই সমস্যা থেকে পরিত্রানের জন্য নিচের কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন,,* ১.মেডিটেশন করা ২.নিয়মিত ব্যায়াম করা ৩.প্রতিদিন সময়মত খাবার খাওয়া ও গোসল করা ৪.ধূমপান পরিহার,,ইত্যাদি