4 Answers

ভাই ইমরান, আপনি এতদিন ধরে ঠান্ডা-সর্দিতে ভুগছেন অথচ হাতুরে ডাক্তারের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে কেনো ভালো কোনো ডাক্তারকে দেখাচ্ছেন না! অবশ্যই আপনার ডেইলি রুটিন একজন ভালো ডাক্তারকে জানাতে হবে। সর্বোপরি আপনার লাইফ স্টাইল ওনাকে বলতে হবে। এবং ডাক্তারের পরামর্শ মতো চললে অবশ্যই আপনার উক্ত সমস্যা থেকে বের হতে পারবেন।

3049 views

হাতুরে ডাক্তার বাদ দিয়ে কোনো ভাল ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন । আর ঠান্ডা ও ধুলাবালি থেকে দুরে থাকুন ।

3049 views

ভাল একজন ডাক্তার দেখান, কিছু নিয়ম

মেনে চলুন।


বারবার আপনার হাত দুটি ধুয়ে নিন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঠান্ডা ছড়ায় পরোক্ষ শারীরিক সংস্পর্শে। অর্থাৎ একজন অসুস্থ ব্যক্তির ঠান্ডার জীবাণু নাক থেকে হাতে স্থানান্তরিত হয়। সে যখন কোনো বস্তু স্পর্শ করে তখন হাত থেকে জীবাণু সেই বস্তুতে লেগে যায়। ঠান্ডার জীবাণু জড়বস্তুতে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।


 


বদ্ধ জায়গায় সতর্ক থাকুন। অফিসঘরগুলোতে বায়ু সঞ্চালন দুর্বল থাকে বলে সেখান থেকে ঠান্ডার ভাইরাসগুলো মিলিয়ে যেতে পারে না। অল্প আর্দ্রতায় শ্লেষ্মাঝিল্লি শুকিয়ে যায়, স্বাভাবিকভাবে সেখানে ভাইরাস এসে জুড়ে বসে। তাই অফিসঘরে কিংবা বদ্ধ স্থানে ঠান্ডার ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো লবণ-পানির নেসাল স্প্রে ব্যবহার করা।


 


বেশি করে তরল পান করুন। আপনি যদি বেশি করে তরল পান করেন, তাহলে শরীর থেকে জীবাণু দূরীভূত হবে এবং শরীরে জীবাণু আক্রান্ত হওয়ার জন্য যে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল তাও পূরণ হবে। এ সময় দৈনিক কমপক্ষে আট গ্লাস পানি, ফলের রস কিংবা অন্যান্য ক্যাফেইনমুক্ত তরল খাওয়া উচিত।


 


নাক ও চোখ বেশি বেশি ঘষবেন না। এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ প্রতি এক ঘণ্টায় তার নাখ ও চোখ অন্তত তিনবার স্পর্শ করে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি আপনার এ রকম করতেই হয়, তাহলে দয়া করে আঙুলের মাথা দিয়ে চোখ ও নাক ঘষবেন না।

3049 views

আপনি হাতুড়ে ডাঃ পরিহার করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করেন|সর্দি ও জ্বর প্রতিরোধে ভিটামিন সি এর ভূমিকা অপরিসীম|তাই আপনি ভিটামিন সি যুক্ত খাবার বেশি গ্রহন করেন|যেমন:-লেবু,আমলকী,কামরাঙ্গা,কমলা,আমড়া,কাচামরিচ,আঙ্গুর ইত্যাদি

3049 views

Related Questions