user-avatar

Atikul Islam

AtikulIslam

AtikulIslam এর সম্পর্কে
Hello, I am Atikul Islam. I am studying BSS in Political Science.
যোগ্যতা ও হাইলাইট
Bissoy AnswersModerator 2017–বর্তমান
Nawabganj Govt. College, Chapai Nawabganj এ/তে - নিয়ে পড়াশুনা করছেন 0-এ গ্র্যাজুয়েট করবেন আশা করা হচ্ছে
পুরুষ
অবিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 4.26M বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 294 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 135.69k বার
দিয়েছেন 3.38k টি উত্তর দেখা হয়েছে 4.12M বার
37 টি ব্লগ
4 টি মন্তব্য

কিডনি দেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিডনি বিভিন্ন কারণে অকেজো বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিডনি জনিত কোন সমস্যা মনে হলে কিডনি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া উত্তম।

তবে কিডনিতে কোন সমস্যা হলে কিছু উপসর্গ দেখা দিয়ে থাকে। যেমন- কিডনিতে ব্যথা, কিডনি চিনচিন বা বুজ বজ  করে, প্রসাবে ব্যাঘাত, প্রসাবে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া, কোমরে ব্যথা, প্রসাব ঘন বা কম হওয়া, প্রসাব হলুদ বা লালচে, শরীর ফুলে যাওয়া, খাবারে রুচি কম, বমিবমি ভাব বা বমি হওয়া, দূূূর্বলতা অনুুুভব, চোখের পাতা ফোলা, ত্বকে র্যাশ, প্রসাবে রক্ত যাওয়া প্রভূতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। 

এছাড়া আরও অনেক লক্ষণ থাকতে পারে। কিডনির কোন ধরনের সমস্যা মনে হলে কালবিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করা উত্তম। এতে যেকোন বিপদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হবে।                                       

স্বাভাবিক ভাবে পেনিসে এগুলো থাকে না। খুব বেশি বা অনেক দিন ধরে থাকলে অবশ্যই সমস্যা। এগুলো বের হওয়ার পর এমনিতে সেরে গেলে চিকিৎসা নেওয়ার তেমন প্রয়োজন পড়ে না। তবে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, ব্যথা থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

এজন্য রেজিস্ট্রার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে পারেন। সঠিক চিকিৎসা পেলে আশা করি দ্রুত আরোগ্য লাভ করবেন। 

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অযাচিত কোন কিছু ব্যবহার করবেন না।                                         

পাতলা পায়খানা হলে প্রাথমিক ভাবে ওরাল স্যালাইন ঘনঘন খেতে থাকুন। প্রতিবার পায়খানা শেষে স্যালাইনের পানি পান করতে হবে।এ সময় সম্ভব হলে ডাবের পানি পান করতে পারেন।এটা দেহে লবণ ও পানির ঘাটতি পূরণ করে এবং শরীরকে দূর্বল হওয়া থেকে রক্ষা করে।

ডায়রিয়া হলে কালবিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ চিকিৎসা কেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা উত্তম।

এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

পাতলা পায়খানা হলে প্রাথমিক ভাবে ওরাল স্যালাইন ঘনঘন খেতে থাকুন। প্রতিবার পায়খানা শেষে স্যালাইনের পানি পান করতে হবে।এ সময় সম্ভব হলে ডাবের পানি পান করতে পারেন।এটা দেহে লবণ ও পানির ঘাটতি পূরণ করে এবং শরীরকে দূর্বল হওয়া থেকে রক্ষা করে। 

ডায়রিয়া হলে কালবিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ চিকিৎসা কেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা উত্তম। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন।                                                      

হস্তমৈথুন করলে সাধারণত স্ত্রী সহবাসের চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত হয়ে থাকে। সহবাসের সময় এর চেয়ে বেশি সময় পাওয়া যাবে। আপনি এই অভ্যাস ত্যাগ করে অনেক ভালো কাজ করেছেন। আর ঐ কাজের দিকে মন দিবেন না। এটা থেকে বেঁচে থাকতে পারলে শারীরিক, মানসিক সমস্যা ও পাপাচার থেকে রক্ষা পাবেন। 

পরিপূর্ণ ভাবে হস্তমৈথুন ছেড়ে দিন। স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হউন। পরিমিত পরিমাণ সূষম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করবেন। খাদ্য তালিকায় ডিম, খেজুর, দুধ, কলা, মধু, আমিষ, ফলমূল ও সবজি রাখবেন। মানসিক ভাবে টেনশন মুক্ত থাকবেন। আশা করি সবকিছু কিছুদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।                                                             

TechnoBoy Ankan/Ankan Techview  অথবা Ankan Tech এই নামগুলোর মধ্যে যেকোন একটি নামে চ্যানেল খুলতে পারেন।         

ডায়রিয়া হলে কালবিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। তবে প্রাথমিক ভাবে ঘনঘন খাবার স্যালাইন খাওয়ানো জরুরী। আর বেশি করে রসালো খাবার খাওয়া উচিত।                       

একজিমার জন্য তেল ব্যবহার না করে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়া উচিত। তেল ব্যবহার করে একজিমা স্থায়ীভাবে সমাধান হবে না। রেজিস্ট্রার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর পরামর্শ নিলে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করা যেতে পারে। তাই চিকিৎসা নিলে সবচেয়ে ভালো হবে।

জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হচ্ছে কনডম ইউজ করা। এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে কারো কোনো ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না।

আপনি যে ধরনের পিল সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন সেগুলোতে নানান সাইড ইফেক্ট থাকে। তবে এ ধরনের অনেক পিল পাওয়া যায় (ইমকন, পিউলি, নরপিল ইত্যাদি)। এগুলো রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহারযোগ্য নয়।                                 

এলার্জি কিংবা একজিমার জন্য ক্রীম ব্যবহার করে স্থায়ীভাবে সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়। ক্রীম কিংবা মলম ব্যবহার করে চাপা দিলে পরবর্তীতে পূণরায় ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে। স্থায়ীভাবে সমাধান পেতে হলে চিকিৎসা গ্রহণ করা উত্তম। এজন্য রেজিস্ট্রার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে পারেন।

আর যেসব খাদ্য রোগের উপসর্গ বাড়িয়ে দেয় সেগুলো থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ। শরীর ও আক্রান্ত স্থান যতটা সম্ভব চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে এবং পরিষ্কার রাখতে হবে। আশা করি দ্রুত আরোগ্য লাভ করবেন।