1 Answers

উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জলিলকে ব্রি ধান-৪৭ চাষের পরামর্শ দেন।
তার বাড়ি সমুদ্র উপকূলবর্তী পিরোজপুর জেলায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ততার মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং প্রবল জোয়ারের ফলে সৃষ্ট বন্যায় সরাসরি লবণাক্ত পানি দ্বারা জমি ডুবে যাওয়ায় মাটিতে লবণের পরিমাণ বেড়ে যায়। আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির বাষ্পীভবনের মাধ্যমে মাটির নিচের লবণ উপরে উঠে আসে। তাই উপকূলীয় এলাকায় উন্নত জাতের ধান চাষ করতে হবে যা লবণাক্ততা সহিষ্ণু। এসব জাতের ধান গাছ কোষের রসস্ফীতি বজায় রেখে মাটি থেকে প্রয়োজনীয় পানি শোষণের মাধ্যমে লবণাক্ত পরিবেশে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারে। এসব লবণাক্ততা সহনশীল জাতের মধ্যে একটি হলো ব্রি ধান-৪৭। এ জাতটি চারা অবস্থায় বেশি লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে এবং বয়স্ক অবস্থায় নিম্ন হতে মধ্যম মাত্রার লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে। জাতটির গাছের উচ্চতা ১০৫ সেমি, জীবনকাল ১৫২ দিন এবং লবণাক্ত পরিবেশে হেক্টর প্রতি ৬ টন ফলন দিতে সক্ষম।
কাজেই আব্দুল জলিলের ব্রি ধান-৪৭ চাষের সিদ্ধান্তটি সঠিক।

5 views

Related Questions