1 Answers
কৃষি কর্মকর্তা আবির সাহেবকে তার খামারের গরুর জন্য প্রতিকূল পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেন ও দিক নির্দেশনা দিলেন।
কোনো খাদ্যের গুণাগুণ ও পুষ্টিমান ঠিক রেখে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য খাদ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে রেখে দেওয়াকে খাদ্য সংরক্ষণ বলে।
বাংলাদেশে প্রাপ্ত গবাদিপশুর খাদ্যের বেশিরভাগ কৃষি শস্যের উপজাত। বর্ষা মৌসুমে অনেক ঘাস উৎপাদিত হয়, যা গবাদিপশুকে খাওয়ানোর পরও অতিরিক্ত থেকে যায়। আবার শীতকালেও অতিরিক্ত শিম গোত্রীয় ঘাস উৎপাদিত হয়। কিন্তু প্রকৃতিতে যখন প্রতিকূল পরিবেশ বিরাজ করে যেমন খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি তখন ঘাসের উৎপাদন হ্রাস পায়। আবার অনেক সময় ঘাসের অভাব দেখা দেয়। এ সময় গবাদিপশুকে কাঁচা ঘাসের বিকল্প খাবার খাওয়ানো হয়। প্রতিকূল আবহাওয়ায় খাদ্যের অভাবে গবাদিপশু নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়। তাই এই সময় আগে থেকে সংরক্ষিত করে রাখা ঘাস পশুকে খাওয়ানো হয়। ফলে পশুর পুষ্টিজনিত সমস্যা দূর হয়।
তাই বলা যায়, কৃষি কর্মকর্তার আবির সাহেবকে দেওয়া পরামর্শ খাদ্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার বিভিন্ন দিক নির্দেশ করে।