1 Answers
আবির সাহেব তার গবাদিপশুর খামারের জন্য কাঁচা ঘাস সংরক্ষণে সাইলেজ পদ্ধতি অবলম্বন করবেন।
সাইলেজ তৈরির জন্য ভুট্টা, নেপিয়ার, গিনি ঘাস বেশি উপযোগী। এগুলো ফুল আসার সময় রসাল অবস্থায় কাটতে হয়। ঘাসগুলোকে ভূমি থেকে ১০-১২ সেমি উঁচুতে কাটা হয়। এরপর এগুলোকে কেটে টুকরো টুকরো করা হয়। টুকরো করা ঘাস গর্তে বায়ুরোধী অবস্থায় রেখে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। তবে বর্তমানে গর্তের পরিবর্তে পলিথিন দিয়ে তৈরি বড় আকারের ব্যাগে সংরক্ষণ করা যায়। সাইলোপিটে ঘাস রাখার সময় ঝোলাগুড়ের দ্রবণ ছিটিয়ে দিতে হয়। টুকরো করা গাছগুলো ব্যাগের ভিতর ঢুকিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে বাতাস চলাচল করতে না পারে। এভাবে ঘাস সংরক্ষণ করলে কোনো পুষ্টি উপাদান না হারিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময়ে পশুকে সরবরাহ করা যায়। আবির সাহেবের যেহেতু গবাদিপশুর খামার রয়েছে এবং গবাদিপশুর স্বাস্থ্যরক্ষায় গুণগত মান সম্পন্ন খাদ্য সরবরাহ করা প্রয়োজন। তাই তিনি সাইলেজ পদ্ধতিতে কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ করবেন।