1 Answers

জাভেদ সাহেব উত্তরবঙ্গের খরা কবলিত এলাকায় তার বন্ধুর বাসায় বেড়াতে যান। খরার হাত থেকে বাঁচার জন্য তিনি তার বন্ধুকে ফসলের খরা পরিহারকরণ কৌশল সম্পর্কে জানান।
খরাকবলিত অবস্থায় ফসলের টিকে থাকার জন্য বিবিধ খরা পরিহার করণ কৌশল রয়েছে। অনেক ফসল পত্ররন্দ্র খোলা ও বন্ধ হওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পানির অপচয় হ্রাস করে খরা অবস্থা মোকাবিলা করে। যেমন- যব ও গম ফসল সকালের দিকে অল্প সময়ের জন্য পত্ররন্ধ খোলা রাখে এবং দিনের বাকি সময় পত্ররন্ধ বন্ধ রাখে। কিছু ফসল খরার সময় পাতার উপর লিপিড জমা করে ফসলের প্রস্বেদন হার কমিয়ে দেয়। যেমন- সয়াবিন। কিছু ফসল পাতার আকার হ্রাস করে প্রস্বেদন কমিয়ে দেয়। যেমন- ফেলন। খরার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে কোন কোন ফসল নিজ থেকে পুরাতন পাতা ঝড়িয়ে প্রস্বেদন হ্রাস করে। যেমন- তুলা, চিনাবাদাম, পেয়ারা, ফেলন।
কিছু ফসল পত্ররন্ধ্র নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রস্বেদন কমিয়ে ও কার্বন- ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে সালোকসংশ্লেষণ বাড়ায় ও খাদ্য তৈরি করে জমা করে রাখে। যেমন- ভুট্টা, আখ। কিছু ফসল মূলের দৈর্ঘ্য, সংখ্যা ও ঘনত্ব বাড়িয়ে অধিক পরিমাণে পানি আহরণ করে খরা মোকাবেলা করে। যেমন- ভুট্টা, তুলা, আম। অনেক দানা ফসল পাতার আকার হ্রাস করা ছাড়াও খরা অবস্থায় পাতা কুঞ্চিত করে। যেমন- জোয়ার, কাউন।
অনেক উদ্ভিদ সূর্যালোকের সাথে পাতার দিক পরিবর্তন করে প্রস্বেদন কমায়। যেমন- চিনাবাদাম, তুলা, ফেলন।
অর্থাৎ উদ্ভিদ উল্লিখিত খরা পরিহারকরণের মাধ্যমে প্রতিকূল পরিবেশে নিজেকে টিকিয়ে রাখে।

5 views

Related Questions