1 Answers
প্রতিবেদনে জেলেদের শেখানোর জন্য যে অভিযোজন কৌশল দেওয়া হয়েছে তা হলো-
i. লবণাক্ততা সহনশীল ভেটকি, বাটা, পরশে ও চিংড়ি সহ কাঁকড়া চাষ করা।
ii. বন্যাপ্রবণ এলাকায় পুকুরের পাড় উঁচু করে সমাজভিত্তিক মৎস্য পোনা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা এবং বন্যাকবলিত সময়ে ঐ পোনা পুকুরে মজুদ করা।
iii. উপকূলীয় অঞ্চলে বাঁধ ভেঙে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও জনদুর্ভোগের এলাকাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ, খাঁচায় মাছ চাষ ও কাঁকড়া চাষের মাধ্যমে সেই পানিকে কাজে লাগানো।
iv. দিন দিন পরিবেশের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে পুকুরের পানি গরম হয়ে গেলে মাছকে গরম থেকে রক্ষা করার জন্য পুকুরে টোপাপানা রাখার ব্যবস্থা করা। এছাড়াও তাপমাত্রা সহনশীল মাছ যেমন মাগুর, রুই, শিং ইত্যাদি চাষ করা।
জেলেদের শিখানোর জন্য মৎস্য চাষে উল্লিখিত অভিযোজন কৌশল উল্লেখ করা হয়েছে।