1 Answers

উদ্দীপকে ইতিহাসের লিখিত উপাদানের উল্লেখ করা হয়েছে।

ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে প্রধানত দুইটি উপাদানের ওপর নির্ভর করতে হয় যথা- লিখিত ও অলিখিত উপাদান। ইতিহাস রচনার লিখিত উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাহিত্য, বিদেশি পর্যটকদের বিবরণ, দলিলপত্র, নথিপত্র, পাণ্ডুলিপি ইত্যাদি। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সাহিত্যকর্মে সমকালীন সময়ের কিছু তথ্য পাওয়া যায়। এসব সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে- কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র', কলহনের 'রাজতরঙ্গিনী', মিনহাজ-উস-সিরাজের 'তবকাত-ই- নাসিরী', আবুল ফজলের 'আইন-ই-আকবরী', মির্জা নাথানের 'বাহারিস্তান-

ই-গায়েবি' ইত্যাদি। এছাড়া বিভিন্ন পর্যটকদের লিখিত বিবরণগুলো সবসময়ই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে বিবেচিত। এগুলো ইতিহাসের লিখিত উপাদান।

উদ্দীপকে লক্ষণীয়, 'ক' প্রাচীন বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বই থেকে একটি অঞ্চলের সার্বিক জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে পারে। সে অঞ্চলের মানুষের নানা আবিষ্কার, অগ্রগতি সম্পর্কে সে ধারণা লাভ করে। উপরের আলোচনায় স্পষ্ট, 'ক' এর পঠিত বইটি ইতিহাসের লিখিত উপাদানের অন্তর্ভুক্ত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ইতিহাসের লিখিত উপাদানকে নির্দেশ করা হয়েছে।

5 views

Related Questions