1 Answers

উদ্দীপকে ইতিহাসের লিখিত উপাদানের উল্লেখ করা হয়েছে।

ইতিহাস রচনার লিখিত উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাহিত্য, দলিলপত্র, বৈদেশিক বিবরণ ইত্যাদি। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সাহিত্যকর্মে সমকালীন সময়ের সামগ্রিক ধারণা পাওয়া যায়। যেমন- বেদ, কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র', কলহনের 'রাজতরঙ্গিনী', মিনহাজ-উস-সিরাজের 'তবকাত-ই-নাসিরী', আবুল ফজলের 'আইন-ই-আকবরী' প্রভৃতি গ্রন্থ হতে অনেক ঐতিহাসিক তথ্য আমরা পেয়ে থাকি। ইতিহাসের লিখিত উপাদানের মধ্যে আরো রয়েছে বিভিন্ন প্রাচীন পুঁথি, পুঁথি সাহিত্য, গল্পকাহিনি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মধ্যযুগের দোভাষী পুঁথিসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাব্য ফকির গরিবুল্লাহ রচিত 'আমীর হামজা'। এ কাব্যে আমরা বীর যোদ্ধা আমীর হামজার যুদ্ধজয়ের কাহিনি জানতে পারি। অর্থাৎ সঠিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এ লিখিত উপাদানগুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

উদ্দীপকে লক্ষণীয়, 'ক' এর গ্রামের বাড়িতে পুঁথি পাঠের আসর বসে। পুঁথিগুলো থেকে এদেশের প্রাচীন ইতিহাসের অনেক তথ্য জানা যায়। উপরের আলোচনায় স্পষ্ট, উদ্দীপকে ইতিহাসের লিখিত উপাদানের কথাই বলা হয়েছে।

4 views

Related Questions

পৃথিবীর ধনী দেশগুলোতে অসমতার বিস্ফোরণ ঘটেছে তা ঠিক, কিন্তু গত কয়েক দশকে যে গরিব মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে তা-ও বলা দরকার। ১৯৮০ থেকে ২০১৬ সাল এই সময়ের আয়ের নিরিখে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও অর্ধেক কমেছে। ইতিহাসের আর কোন সময়ে এত মানুষ এত অল্প সময়ে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেনি। জীবনমানের উন্নতিও হয়েছে ব্যাপক। এমনকি যারা এখনও গরিব, তাদের জীবনেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৯০ এর দশকের পর সারা বিশ্বে সন্তান জন্মদানের সময় মৃত্যুহারের অর্ধেক কমেছে। নবজাতকের মৃত্যুর হারও একইভাবে কমেছে এবং এতে দশ কোটি বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পেয়েছে। আজ যেসব দেশে বড় ধরনের সামাজিক গোলযোগ নেই, সেইসব দেশের প্রায় সব শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views