1 Answers

উদ্দীপকের নিশিতা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ইতিহাসের অলিখিত উপাদান দেখতে পায়।

যেসব তথ্য উপাদানের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিক সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব তাকে ইতিহাসের উপাদান বলা হয়। ইতিহাসের উপাদানকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়- লিখিত ও অলিখিত উপাদান। এ দুটির মধ্যে উদ্দীপকে অলিখিত উপাদানের বর্ণনা করা হয়েছে যা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে রয়েছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ছুটির দিনে নিশিতা মামার সাথে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে যায়। সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, পোশাক, গাড়ি, দুর্লভ ছবি ইত্যাদি দেখে সে আশ্চর্য হয়। এ বস্তুগুলো অলিখিত বা প্রত্নতত্ত্ব উপাদানের অন্তর্ভুক্ত। যেসব বস্তু বা উপাদান থেকে আমরা বিশেষ সময়, স্থান বা ব্যক্তি সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক তথ্য পাই সেসব বস্তু বা উপাদানই প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন। প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনসমূহ মূলত অলিখিত উপাদান। যেমন- মুদ্রা, অস্ত্রশস্ত্র, আসবাবপত্র, শিলালিপি, ইমারত ইত্যাদি। এ সমস্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিশ্লেষণের ফলে সে সময়ের অধিবাসীদের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। প্রাচীনকালের অধিবাসীদের ধর্ম, জীবনযাত্রা, পল্লী বা নগর সংস্কৃতি, নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র, ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা, কৃষি, শিল্পের অবস্থা ইত্যাদিসহ সার্বিক সভ্যতা সম্পর্কে ধারণা করা সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত জাদুঘরের উপাদানগুলো ইতিহাসের অলিখিত বা প্রত্নতত্ত্ব উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।

5 views

Related Questions