1 Answers

কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের বিকল্প নেই। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য দেশীয় উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ, প্রবাসীদের বিনিয়োগ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং জনগণের আয়স্তর বৃদ্ধির জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য জেলা ও এলাকাভিত্তিক সম্ভাব্য বিনিয়োগের খাতসমূহ শনাক্ত করা প্রয়োজন । অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাব্য বিনিয়োগের খাতসমূহ সনাক্ত করা বিনিয়োগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

= There is no alternative to investing in productive sectors for the economic development of any country. Investment of domestic entrepreneurs, investment of expatriates and foreign investment require for the aggregate development of the country. It is important for the economic development of the country to create employment, eliminate unemployment and increase the income level of the people. Identifying probable district and area based investment sectors is important to increase investment. Identifying potential investment sectors by region is an important step for investment.

7 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। দিন দিন আমাদের দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে। এই ইন্টারনেট সবাই যাতে ইতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রে বেসিস অসামান্য ভূমিকা পালন করতে পারে। সম্প্রতি দেশের মুঠোফোন অপারেটরগুলো ফোরজির লাইসেন্স পেয়েছে। এটা আমাদের দেশের তথ্যপ্রযুক্তির জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কারণ, ইন্টারনেটের ধীরগতি এটা ব্যবহার করতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করত। দেশের সর্বত্র সবার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দিতে একটি সুসংগঠিত সংঘঠন হিসেবে বেসিসকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। (Bangla to English)
1 Answers 6 Views
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার তিন বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে যা নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত। এই উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চের হালনাগাদ একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতির দেশ, এখন যে অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া । কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উচ্চ হারই শেষ কথা নয়, নয় একমাত্র অভীষ্ট। এটি অর্থনীতির আকার বা পরিমাণ নির্দেশ করে মাত্র। বরং নীতিনির্ধারক মহলের কাছে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির গুণগত দিকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের বহু দেশেই গরিবি যথেষ্ট কমাতে পারেনি, পারেনি সমাজে আয়বৈষম্য কমাতে, বরং তা বাড়িয়েছে। আসলে গরিবি কমা বা আগের তুলনায় বেশি মানুষের উন্নততর জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নির্ভর করে প্রবৃদ্ধির বণ্টনের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো সম্পদের সুসম বা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে পারেনি, তা বিভিন্নভাবে সমাজে প্রতিফলিত হয়। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
ইসলামী ব্যাংকিং আল-কুরআন এর বিধিবিধান অনুসরণ করে পরিচালিত একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থা যাতে সুদের বিনিময়ে ধার ও ঋণের লেনদেন নিষিদ্ধ। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার লক্ষ্য হচ্ছে সুদ নির্মূলকরণ এবং অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা, ন্যায়বিচার দক্ষতা, স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির নীতি প্রতিষ্ঠা। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উদ্যোক্তা এবং পুঁজিমালিকের মধ্যে শিল্প অথবা বাণিজ্যিক ঝুঁকি সমানভাবে বণ্টন এবং বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফা থেকে প্রাপ্ত অর্থ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আনুপাতিক মূলধনের ভিত্তিতে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকিং সবচেয়ে উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views