6 views

1 Answers

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। দিন দিন আমাদের দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে। এই ইন্টারনেট সবাই যাতে ইতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রে বেসিস অসামান্য ভূমিকা পালন করতে পারে। সম্প্রতি দেশের মুঠোফোন অপারেটরগুলো ফোরজির লাইসেন্স পেয়েছে। এটা আমাদের দেশের তথ্যপ্রযুক্তির জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কারণ, ইন্টারনেটের ধীরগতি এটা ব্যবহার করতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করত। দেশের সর্বত্র সবার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দিতে একটি সুসংগঠিত সংঘঠন হিসেবে বেসিসকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।

= Bangladesh Association of Software and Information Services is the most promising and well- organized organization in the field of Information Technology in Bangladesh. The number of internet users has been increasing day by day in our country. BASIS can play an un-frivolous role so that people can use this internet positively. Of late, the country's mobile operator companies have got 4G license. It has been considered as a great milestone for the information technology in our country. Because, using slow-speed internet caused many problems. BASIS has to play more vigorous role to spread the light of information technology among all around the country.

6 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views
চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৪১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এটি গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হওয়া ৩৯০ কোটি ৮১ লাখ ডলারের চেয়ে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি। শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, যুক্তরাষ্ট্রে বাজার হিসাবেও এগিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলছে বাণিজ্যযুদ্ধ। বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে চীনে পোশাক উৎপাদনের খরচ বাড়তে পারে এবং মার্কিন ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের অনেক ক্রয়াদেশ বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কম্বেডিয়া ও ভারতে যাবে। ইতিমধ্যে নতুন নতুন ক্রেতারা আমাদের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলা শুরু করেছেন। পুরোনো ক্রেতারা ক্রয়াদেশ বাড়চ্ছেন। ভিয়েতনামের চেয়ে রপ্তানিতে বেশ পিছিয়ে থাকলেও প্রবৃদ্ধিতে অনেকটা কাছাকাছি চলে এসেছে তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারকে দেশ বাংলাদেশ। সামনের মাসগুলোতে রপ্তানি পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশাও করছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকেরা। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
মানবাধিকার হচ্ছে সেসব অধিকার যা জাতীয়তা, লিঙ্গ, বর্ণ, ধর্ম, ভাষা অথবা অন্য যে কোন অবস্থান নির্বিশেষে মানুষের নিকট অন্তর্নিহিত। বস্তুতঃ মানবাধিকার বলতে কিছু নৈতিক রীতিনীতি বা নিয়ম যা মানব আচরণের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডগ্র বোঝায়। আন্তর্জাতিক আইনে মানবাধিকারকে আইনগত অধিকার হিসেবে রক্ষা করা হয়। এই পৃথিবীতে প্রতিটি অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এই অধিকারগুলোকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আমাদের দেশের বহু মানুষ মৌলিক মানবাধিকারসমূহ থেকে বঞ্চিত। আমাদের দরিদ্র শিশুরা বলেন স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। অনেক পথশিশু রয়েছে যারা আশ্রয়হীন। এইসব ছোটছোট বাচ্চাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য অর্থ উপার্জন করতে হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি শিশুশ্রম বৃদ্ধি করে। (Translation: Bangla to English)
1 Answers 6 Views
গত দুই দশকে বিশ্বজুড়ে তথ্যপ্রযুক্তিতে ঘটেছে অভাবনীয় সব পরিবর্তন ও সাফল্য। তথ্যপ্রযুক্তি সময় ও দূরত্বকে জয় করেছে। বাংলাদেশও তথ্যপ্রযুক্তির স্পর্শে জেগে উঠেছে। দেশে সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটেছে। বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগসহ কষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আমদানি-রপ্তানি, সরকারি-বেসরকারিসহ অনেক কর্মকাও নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে অটোমেটেড ডিজিটাল পদ্ধতিতে। ইতিমধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরে চালু হয়েছে অটোমেশন। অনলাইনে শেয়ার বাজার ও ব্যাংকিং কর্মকাণ্ডসহ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তির জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়ার পাশাপাশি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে পরীক্ষার ফলাফল। ফলে অপারেটর, প্রোগ্রামার, হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার পদে বহুলোকের কর্মসংস্থানেও সৃষ্টি হয়েছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views
অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
আমরাজানি, কোভিত-১৯ মহামারির সময়েতথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন আমাদের সহযোদ্ধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবেসাধারণ মানুষ যথেষ্ট প্রযুক্তিবান্ধব না হওয়ার কারণেপ্রাথমিক পর্যায়ে অসুবিধা হয়েছে অনেকের। এ সময় প্রযুক্তিরসঙ্গে পরিচিত হতে বাধ্য হয়েছিআমরা। অনেক নারী পুরুষএখন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন করছেন। এ পরিবর্তনের সুফলপেতে শুরু করেছে দেশেরব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।ব্যাপকহারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ব্যাংকব্যাবসা ভাল হবে। তবেতার জন্য দরকার প্রয়োজনীয়ও সঠিক অবকাঠামো এবংদক্ষ জনবল। আর এ বিষয়টিনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব। আমরা যদি এখনতথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় টিকে থাকা কঠিন হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক রূপান্তরের সুবিধা পাবে দেশের সাধারনমানুষ। (Translation [Bangla to English])
1 Answers 6 Views
Section-C: Translation: Bangla to Englishবাংলাদেশে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রকল্পে সৌরবিদ্যুৎ তথা সোলার প্যানেলের) ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। সূর্য থেকে সোলার প্যানেল আলো শোষণ করে বৈদ্যুতিক প্রবাহ তৈরি করে, যা দিয়ে পরবর্তী সময়ে লাইট, ফ্যান প্রভৃতি চালানো যায়। সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় ২০৩০ সালের মধ্যে ৪ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ফলে নীতিগত ও ব্যবহারিক উভয় দিক দিয়ে। দেশে সৌরবিদ্যুৎ খাতের বেশ সম্পাদনা রয়েছে। সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন মূলত একটি পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়া এবং এ প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা গেলে বিদ্যুৎ খরচ ২০ শতাংশ কমবে।
1 Answers 5 Views