7 views

1 Answers

অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

= In a few days, there will be a year of Corona trace in the country. Poverty has been steadily declining for the last 30 years: Poverty is on the rise meanwhile in Covid-19. Countless people have become unemployed. Mainly debt-oriented programs have been taken up to face the crisis. Global experiences have shown that the desired recovery of the economy may not be possible with debt. driven incentives alone. If we do not invest in the productive sector, the desired employment cannot be maintained and new employment will not be created. As a result, it will be difficult to increase the aggregate demand. In order to revive the economy, it is necessary to ensure investment is the productive sector along with debt-based incentives.

7 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার তিন বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে যা নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত। এই উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চের হালনাগাদ একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতির দেশ, এখন যে অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া । কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উচ্চ হারই শেষ কথা নয়, নয় একমাত্র অভীষ্ট। এটি অর্থনীতির আকার বা পরিমাণ নির্দেশ করে মাত্র। বরং নীতিনির্ধারক মহলের কাছে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির গুণগত দিকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের বহু দেশেই গরিবি যথেষ্ট কমাতে পারেনি, পারেনি সমাজে আয়বৈষম্য কমাতে, বরং তা বাড়িয়েছে। আসলে গরিবি কমা বা আগের তুলনায় বেশি মানুষের উন্নততর জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নির্ভর করে প্রবৃদ্ধির বণ্টনের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো সম্পদের সুসম বা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে পারেনি, তা বিভিন্নভাবে সমাজে প্রতিফলিত হয়। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার দেশ। গত বিশ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার ৪.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৮ শতাংশের অধিক হয়েছে। একই সময়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ১.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। দুটো উপাদান বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত প্রবৃদ্ধি ও ব্যাপক দারিদ্রা হ্রাসের পেছনে প্রধান চালিকাশক্তির কাজ করেছে। একটি হলো রপ্তানি আয়ের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি; আরেকটি হলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়ের ব্যাপক প্রবাহ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ গত দশ বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পেয়েছে। বিশ্বের নীতিনির্ধারকগণ বাংলাদেশকে তাই দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশের সারিতে বিবেচনা করেন। (Translate into English)
1 Answers 4 Views
পৃথিবীর ধনী দেশগুলোতে অসমতার বিস্ফোরণ ঘটেছে তা ঠিক, কিন্তু গত কয়েক দশকে যে গরিব মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে তা-ও বলা দরকার। ১৯৮০ থেকে ২০১৬ সাল এই সময়ের আয়ের নিরিখে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও অর্ধেক কমেছে। ইতিহাসের আর কোন সময়ে এত মানুষ এত অল্প সময়ে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেনি। জীবনমানের উন্নতিও হয়েছে ব্যাপক। এমনকি যারা এখনও গরিব, তাদের জীবনেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৯০ এর দশকের পর সারা বিশ্বে সন্তান জন্মদানের সময় মৃত্যুহারের অর্ধেক কমেছে। নবজাতকের মৃত্যুর হারও একইভাবে কমেছে এবং এতে দশ কোটি বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পেয়েছে। আজ যেসব দেশে বড় ধরনের সামাজিক গোলযোগ নেই, সেইসব দেশের প্রায় সব শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views
২০২১ সাল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীর বছর। পেছনে তাকালে নিশ্চিত যে গেল ৫০ বছরে আমরা অনেক এগিয়েছি। মাথাপিছু আয়, রাস্তাঘাট, দালানকোঠা, নগরায়ণ, প্রবাসী আয়, আমদানি-রফতানি, রাজস্ব আয়, শিক্ষার হারসহ প্রায় সবকিছুরই অগ্রগতি হয়েছে। প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে, চিকিৎসা ব্যবস্থাও এগিয়েছে। বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতের প্রসার এবং একটি শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তা সমাজও গড়ে উঠেছে। এ দেখে নারীর উঠে দাঁড়ানের পর অপরাপর সমমানের দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। এরই মধ্যে যাত্রা হয়েছে একটি নতুন বছরের। অনেকের আশা স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে নবোদ্যমে যো করবে বাংলাদেশ। (Translate into English)
1 Answers 8 Views
ইসলামী ব্যাংকিং আল-কুরআন এর বিধিবিধান অনুসরণ করে পরিচালিত একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থা যাতে সুদের বিনিময়ে ধার ও ঋণের লেনদেন নিষিদ্ধ। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার লক্ষ্য হচ্ছে সুদ নির্মূলকরণ এবং অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা, ন্যায়বিচার দক্ষতা, স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির নীতি প্রতিষ্ঠা। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার উদ্যোক্তা এবং পুঁজিমালিকের মধ্যে শিল্প অথবা বাণিজ্যিক ঝুঁকি সমানভাবে বণ্টন এবং বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফা থেকে প্রাপ্ত অর্থ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আনুপাতিক মূলধনের ভিত্তিতে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকিং সবচেয়ে উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
আমরাজানি, কোভিত-১৯ মহামারির সময়েতথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন আমাদের সহযোদ্ধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবেসাধারণ মানুষ যথেষ্ট প্রযুক্তিবান্ধব না হওয়ার কারণেপ্রাথমিক পর্যায়ে অসুবিধা হয়েছে অনেকের। এ সময় প্রযুক্তিরসঙ্গে পরিচিত হতে বাধ্য হয়েছিআমরা। অনেক নারী পুরুষএখন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন করছেন। এ পরিবর্তনের সুফলপেতে শুরু করেছে দেশেরব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।ব্যাপকহারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ব্যাংকব্যাবসা ভাল হবে। তবেতার জন্য দরকার প্রয়োজনীয়ও সঠিক অবকাঠামো এবংদক্ষ জনবল। আর এ বিষয়টিনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব। আমরা যদি এখনতথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় টিকে থাকা কঠিন হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক রূপান্তরের সুবিধা পাবে দেশের সাধারনমানুষ। (Translation [Bangla to English])
1 Answers 6 Views
Section-C: Translation: Bangla to Englishবাংলাদেশে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন প্রকল্পে সৌরবিদ্যুৎ তথা সোলার প্যানেলের) ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। সূর্য থেকে সোলার প্যানেল আলো শোষণ করে বৈদ্যুতিক প্রবাহ তৈরি করে, যা দিয়ে পরবর্তী সময়ে লাইট, ফ্যান প্রভৃতি চালানো যায়। সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় ২০৩০ সালের মধ্যে ৪ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ফলে নীতিগত ও ব্যবহারিক উভয় দিক দিয়ে। দেশে সৌরবিদ্যুৎ খাতের বেশ সম্পাদনা রয়েছে। সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন মূলত একটি পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়া এবং এ প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা গেলে বিদ্যুৎ খরচ ২০ শতাংশ কমবে।
1 Answers 5 Views