1 Answers
মাত্র চার দিন উক্ত ব্রিগেডিয়ার অর্থাৎ খালেদ মোশাররফ বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
খালেদ মোশাররফ সাহসী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সেনাবাহিনীতে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন। তিনি সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ ও ব্রিগেডিয়ার ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন সেনা কর্মকর্তা খন্দকার মোশতাক। সে সময় সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ৪ নভেম্বর এক ঘোষণায় খালেদ মোশাররফ বলেন, জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। অবশ্য এর আগে খন্দকার মোশতাকের সাথে খালেদ মোশাররফের ক্ষমতা দখল নিয়ে দেনদরবার চলতে থাকে। পরবর্তীতে মোশতাক ও জিয়াকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে খালেদ মোশাররফ রাষ্ট্রক্ষমতায় তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু মাত্র চার দিনের মাথায় কর্নেল আবু তাহের পাল্টা এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। অর্থাৎ খালেদ মোশাররফ মাত্র চার দিন বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
উদ্দীপকের ঘটনা খালেদ মোশাররফের অনুরূপ। কারণ উদ্দীপকে দেখা যায়, এক ব্রিগেডিয়ার সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন এবং চার দিন ক্ষমতায় থাকার পর পাল্টা এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।
পরিশেষে বলা যায়, মাত্র চার দিন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন।