1 Answers
উদ্দীপকের সংগঠনের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের করণীয় হলো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করা।
এ ধরনের কোম্পানির সর্বনিম্ন সদস্য সংখ্যা সাত জন ও সর্বোচ্চ শেয়ার সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে। এর পরিচালক সংখ্যা থাকে ন্যূনতম তিন জন। এছাড়া এর শেয়ার জনসাধারণের কাছে অবাধে হস্তান্তরযোগ্য।
তাই এতে অর্থসংস্থানের সুযোগ বেশি থাকে।
উদ্দীপকের জনাব আমিন ও তার চার বন্ধু মিলে প্রথমে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি গঠন করেন। তাদের সুদক্ষ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠানটি সফল হওয়ায় আরও তিনটি ইউনিট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে তাদের আরও ১০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। ব্যাংক ঋণ নেওয়ার অসুবিধার কথা বিবেচনা করে সদস্যরা শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন।
ব্যবসায়ের পরিধি বাড়াতে হলে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাইভেট থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত করতে হবে। এক্ষেত্রে স্পিনিং মিলের সদস্য সংখ্যা কমপক্ষে সাত জনে উন্নীত করতে হবে।
এছাড়া আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে। আবার, স্মারকলিপি ও সংঘবিধিতেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায় সম্প্রসারণে বৈধতা
পাবে। আর মূলধন সংগ্রহের জন্য এটি জনগণের কাছে শেয়ার ইস্যু করতে পারবে। তাই বলা যায়, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরের মাধ্যমে জনাব আমিন ও তার বন্ধুরা শেয়ার ইস্যু করে ব্যবসায়ের অর্থসংস্থান করতে পারবেন।