1 Answers
"পার্বত্য অঞ্চলে গঠিত রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় সংগঠনের উদ্দেশ্য শুধু মুনাফা অর্জন নয়”- মন্তব্যটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।
এ ব্যবসায় সংগঠন সরকার কর্তৃক গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এটি জনকল্যাণ এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য গঠিত হয়। রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষম বণ্টন ও শিল্পায়নে উৎসাহিত করার জন্য এ ধরনের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, পার্বত্য এলাকা একটি অনুন্নত অঞ্চল। এই অঞ্চলে অবকাঠামোগত ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নেই বললেই চলে। এ কারণে এখানে মিল-কারখানা গড়ে উঠেছে খুবই কম। তাই দেশের সুষম উন্নয়নের জন্য পার্বত্য অঞ্চলে মিল-কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় গঠন উপযোগী হয়। এখানে মুনাফা অর্জন মুখ্য উদ্দেশ্য নয়।
অন্যান্য ব্যবসায়ের মূলধন উদ্যোক্তারা সরবরাহ করে। আর রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের মূলধন সরকার ও জনগণ সরবরাহ করে। বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল অনুন্নত হওয়ায় সেখানে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা জরুরি। শিল্পায়নের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন সম্ভব হবে। প্রাকৃতিক সম্পদের সদ্ব্যবহার ও জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে এসব জায়গায় রাষ্ট্রীয় সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা দরকার। অন্যান্য ব্যবসায় মুনাফা অর্জনকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের ব্যবসায় পরিচালনা করে। আর রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় মুনাফা অর্জনকে প্রাধান্য দেয় না। কারণ, এ. ব্যবসায় জনকল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এ ব্যবসায় জনগণকে সেবা দেয় ও শিল্পায়নে সহায়তা করে। তাই বলা যায়, পার্বত্য অঞ্চলে গঠিত রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় মুনাফা অর্জনের পাশাপাশি প্রধানত জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে কাজ করে।