1 Answers

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের নীতিমালা বাস্তবায়নে 'P' ও 'Q' এর মধ্যে ৭' অর্থাৎ বিভাগীয় প্রশাসন কেন্দ্রের সেতুবন্ধন হয়ে কাজ করে।

কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। দুই স্তরবিশিষ্ট বাংলাদেশ প্রশাসনের স্থানীয় প্রশাসন আবার ৩ স্তরে বিভক্ত। তন্মধ্যে বিভাগীয় প্রশাসন হলো সর্বোচ্চ স্তর। কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৮ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনের প্রধান হলেন বিভাগীয় কমিশনার। দেশের ৮টি বিভাগের ৮ জন প্রশাসক নিযুক্ত রয়েছেন। বিভাগীয় কমিশনার। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি একজন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনের পরবর্তী স্তর জেলা প্রশাসন। বাংলাদেশে জেলা সংখ্যা ৬৪টি এবং প্রতিটি জেলায় একজন হিসেবে ৬৪ জন প্রশাসক নিযুক্ত আছেন। বিভাগীয় কমিশনার প্রশাসনিক পদে ৩য় সোপানে এবং জেলা প্রশাসক ৪র্থ পদক্রমে নিযুক্ত থাকেন। অতএব, উদ্দীপকে 'P' ও 'Q' দ্বারা যথাক্রমে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসককে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সাথে কেন্দ্রের গভীর যোগসূত্র বিদ্যমান। বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করেন জেলা প্রশাসক। অপরদিকে, বিভাগীয় কমিশনার আবার জেলা প্রশাসকদের কাজ পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করেন। বিভাগীয় কমিশনের সাথে জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের কাজটি করেন বিভাগীয় কমিশনার। তাছাড়া প্রশাসনিক কার্যক্রম ও আমলাতন্ত্র পদসোপানভিত্তিক হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে জেলা প্রশাসকের সকল কার্যক্রমে বিভাগীয় কমিশনারের মধ্যস্থতা ও সহায়তার প্রয়োজন পড়ে। আর এভাবেই বিভাগীয় কমিশনার জেলা ও কেন্দ্রের মধ্যে সেতুবন্ধন হয়ে আবির্ভূত হয়ে থাকেন। সে অনুযায়ী, উদ্দীপকে উল্লিখিত স্থানীয় প্রশাসন 'Q' নয় বরং 'P' প্রশাসনটিই কেন্দ্রের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে বলে আমি মনে করি।

5 views

Related Questions