1 Answers

বাংলাদেশকে বিভিন্ন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আদায় ও আন্তর্জাতিক সহায়তা আনয়ন, উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এর ঘটনারই প্রতিফলন। আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করছি।

দৃশ্যপট-২-এ দক্ষিণ সুদান স্বাধীনতা লাভের পর দেশটির সরকারপ্রধান বিভিন্ন দেশের সাহায্যের পাশাপাশি পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান থেকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে জোর আহ্বান জানান। অনুরূপভাবে বাংলাদেশও যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশের সাথে বৈদেশিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আহ্বান জানিয়েছিল।

তৃতীয় বিশ্বের সদ্য স্বাধীন একটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্রনীতির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০ই জানুয়ারি ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে আসার পূর্বে ভারত ও ভুটান ছাড়া বাংলাদেশ আর কোনো দেশের স্বীকৃতি পায়নি। অন্যদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্য সহযোগিতা লাভ জরুরি হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মেধা দিয়ে উপলব্ধি করেছেন যে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে- প্রথমত, স্বীকৃতি আদায়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। দ্বিতীয়ত, দেশ পুনর্গঠনে বিদেশি সাহায্য-সহযোগিতা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ের কাজটি খুব সহজসাধ্য ছিল না। বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সব আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।

5 views

Related Questions