1 Answers

হ্যাঁ, উক্ত সংস্থায় তথা জাতিসংঘে জনাব কফিলের দেশ বা বাংলাদেশের ভূমিকা যে অনস্বীকার্য, এ ব্যাপারে আমি একমত। 

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি সৈন্যরা অনবদ্য ভূমিকা রাখছে। তাদের অবদান বিশ্বব্যাপী প্রশংসিতও হচ্ছে। উক্ত প্রতিষ্ঠান তথা জাতিসংঘ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করার মাধ্যমে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মহান দায়িত্ব পালনের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৪৫ সালে ৫০টি রাষ্ট্র নিয়ে জাতিসংঘ যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে সংস্থাটির সদস্যসংখ্যা ১৯৩। এ সংস্থাটির বিভিন্ন শাখার সাহায্যে আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশ্বের প্রায় সব শান্তিকামী রাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য। সংস্থাটির প্রচেষ্টায় লিবিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ইন্দোচীন জনপদগুলো সাধীন হতে পেরেছে। সর্বশেষ সংস্থাটির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দক্ষিণ সুদান স্বাধীনতা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। সংস্থাটি ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকট, ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ, ১৯৬৭ সালের আরব- ইসরাইল যুদ্ধ এবং ১৯৯৫ সালের বসনিয়ার যুদ্ধ অবসানে অনন্যসাধারণ ভূমিকা রেখেছে। বিশ্বে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত জাতিসমূহের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য জাতিসংঘ শিল্প, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে প্রচুর সাহায্য ও সহযোগিতা করছে। যে সকল মহান আদর্শকে সামনে রেখে জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়েছিল তার সবটা না হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর ভূমিকা ইতিবাচক বলে প্রমাণিত হয়েছে।

তাই বলা যায়, জাতিসংঘ বিশ্ব নিরাপত্তা রক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক অবদান রেখেছে।

4 views

Related Questions