1 Answers
মি. সালাম এর পদ্ধতিটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন ও উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব সৃষ্টি দ্বারা মানুষ সর্বোত্তমভাবে লাভবান হতে পারে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও ভাইরাস প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। যেমন- বিটি ভূট্টা, বিটি তুলা, বিটি ধান ইত্যাদি ফসল লেপিডোপটেরা ও কলিওপটেরা বর্গের ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষম। এছাড়া ভাইরাল কোট প্রোটিন জিন স্থানান্তরের মাধ্যমে টমেটো মোজাইক ভাইরাস, টোবাকো মোজাইক ভাইরাস প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে আগাছা-সহিষ্ণু ভুট্টা, টমেটো, তুলা ইত্যাদি ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। ধানে ভিটামিন-'এ' তথা বিটা-ক্যারোটিন জিন স্থানান্তরের মাধ্যমে ফসলের পুষ্টিমান উন্নয়ন করা হয়েছে। গরুর দুধে আমিষের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য 'Protein C' জিন স্থানান্তর করা হয়েছে। মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিন ব্যবহার করে কৌলিকগতভাবে পরিবর্তিত E. coli ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্ট হতে বাণিজ্যিক ইনসুলিন তৈরি করা হচ্ছে, যা ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়াও পরিবেশকে দূষণমুক্ত করতে এই প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, উক্ত পদ্ধতি অর্থাৎ রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলাদেশের ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব।