1 Answers
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উক্ত প্রক্রিয়া অর্থাৎ টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ার প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু টিস্যু কালচার ল্যাবে টিস্যু আবাদের মাধ্যমে অল্প সময়ে প্রচুর সংখ্যক চারা উৎপাদন করা যায়, তাই এ প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত লাভজনক। এছাড়াও টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ায় যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায় তা হলো-
i. একই বৈশিষ্ট্যের অসংখ্য চারা উৎপাদন।
ii. রোগমুক্ত চারা উৎপাদন।
iii. ঋতুভিত্তিক চারা উৎপাদনের সীমাবদ্ধতা এড়ানো।
iv. অল্প জায়গায় তুলনামূলক অধিক চারা মজুদ রাখা।
v. বীজের মাধ্যমে বা সাধারণভাবে চারা হয় না এমন ধরণের উদ্ভিদের চারা উৎপাদন।
vi. বিলুপ্ত প্রায় উদ্ভিদের চারা উৎপাদন ও সংরক্ষণ।
vii. নতুন প্রকৃতির উদ্ভিদ উদ্ভাবন ও দ্রুত বংশবৃদ্ধি
এ সকল বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে টিস্যুকালচার প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। কৃষিক্ষেত্রে এ প্রযুক্তি ব্যবহারে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে অনেক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। রোগ প্রতিরোধী, প্রতিকূল পরিবেশে টেকসই ও অধিক উৎপাদনশীল ফুসল, ফুলের চারখা, কাঠ উৎপাদনকারী বৃক্ষ ইত্যাদি উৎপাদন করা হয়েছে যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ সহায়ক।