1 Answers

উদ্দীপকে ডেভিডের আকাঙ্ক্ষা ছিল তাকে ইংরেজি অক্ষরে ইংরেজি ভাষায় শুভেচ্ছা জানানো হবে। তার এই চিন্তা-চেতনা বাংলা ভাষা বিকাশের অন্তরায় বলে আমি মনে করি।
১৯৫২ সালের কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি তার মায়ের ভাষা- বাংলাকে রক্ষা করে। আর এই ভাষা আমাদের কাছে অমৃত সুধার মতো। ফলে আমরা এই ভাষায় কথা বলি। আমরা আমাদের জীবনের চলার ক্ষেত্রে এই ভাষা ব্যবহার করি। আমাদের সাংস্কৃতিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে আমরা এ ভাষা ব্যবহার করে থাকি। এ ভাষার মাধ্যমে আমরা বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েছি। ফলে আমাদের এ ভাষা চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি।
যদি আমরা এ ভাষা চর্চা না করে বিদেশি ভাষা চর্চা করি এতে নিজস্ব সাংস্কৃতিকে বিসর্জন দেওয়া হয়। বিদেশি ভাষা চর্চা করলে বাংলা ভাষা বিকশিত হওয়ার সুযোগ থাকে না। এতে বাংলা ভাষার সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিক মূল্যকে জলাঞ্জলি দেওয়া হয়। ফলে বাঙালির চেতনাবোধ নষ্ট হয়ে যায়।
উপরের আলোচনায় প্রমাণিত, ডেভিডের বিদেশি ভাষা চর্চা বাংলা ভাষা বিকাশের অন্তরায়।

4 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views