1 Answers
"নায়েবের কাজগুলোর বিরুদ্ধে আব্দুল কাদেরের মতো, পদক্ষেপ গ্রহণ না করার কারণেই বাংলার ভাগ্যে দুর্যোগ নেমে আসে"- বক্তব্যটি যথার্থ।
উদ্দীপকের নায়েব অন্য এক প্রতিদ্বন্দ্বী জমিদারের সাথে আঁতাত করে তার নিজ জমিদারের গোপন বিষয়গুলো পাচার করে দিত। যার ফলে আব্দুল কাদের সাহেবের জমিদারি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিচক্ষণ আব্দুল কাদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে নায়েব মহাশয়সহ জড়িত সবাইকে বরখাস্ত করেন এবং নতুন লোক নিয়োগ করেন। এর ফলে তার জমিদারি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।
অন্যদিকে তরুণ নবাব সিরাউদ্দৌলার অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা ও দৃঢ়তার অভাব ছিল। সেনাপতি মীর জাফরের ষড়যন্ত্রের কথা জানা সত্ত্বেও, তিনি বারবার তার ওপরই নির্ভর করেছেন, যা উদ্দীপকের জমিদারের সম্পূর্ণ বিপরীত। ইংরেজদের সম্পর্কে সতর্কতা, ফরাসি এবং ইংরেজদের ষড়যন্ত্র এসব বিষয়ে আলীবর্দি খানের উপদেশ সিরাজউদ্দৌলার কাছে গুরুত্ব পায়নি। ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করার ফলেই নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হন। যার ফলে বাংলার ভাগ্যে নেমে আসে দুর্যোগ।
পরিশেষে তাই বলা যায়, নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার অভাবেই বাংলার ভাগ্যে দুর্যোগ নেমে আসে।